নিহত এসআই-এর বাড়িতে গেলেন সূর্যকান্ত মিশ্র

Update: February 14, 2013 13:16 IST

গার্ডেনরিচকাণ্ডে নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর বাড়িতে গেলেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ নিহত এসআইয়ের বাড়িতে যান তিনি।

নিহত এসআইয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক সুজন চক্রবর্তী ও রবিন দেব।

তাপস বাবুর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যার সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। বিরোধী দলনেতার সঙ্গে দেখা হওয়ার পরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তাপস বাবুর স্ত্রী।

আজই তাপসবাবুর বাড়িতে যাবেন রাজ্যপাল এমকে নারায়াণনও।

Post Your Comment

Total Comments:4

are je mara galo taka to konodino fera pabo na, tar poribarer ki holo sata to kau dekcha na, ki bhaba tader cholbe, ar akhon a jaccha o jachha, ami to bughte parchi na je ki bhasai amra kotha bolbo, amader montrider ki lal lajja bole kichu nai, ara abar bhalo babohar asa kore ki kora, ader r ki bolba banglar manus ta bangalirae bichar koruk

molla ke to tv te sobai dekhlo tatoi jadi na hoi tobe to gaer jora taka bachano hochha, r ak jon mara gelo tar kichu na, chi chi amader akhon lojja kore r bhabi amra kothai daralam, ata ki poriborton , akjon sadharon manus e bichar koruk

didi ghure dighay police more kolkatay

Mukhyomontrir train late

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।