শীত কমছে রাজ্যে

Update: January 13, 2013 12:09 IST

উত্তরভারতে তীব্র শৈত্যবপ্রবাহ ও তুষারপাত অব্যাহত থাকলেও হাড় কাঁপানো শীতে ছন্দোপতন ঘটতে চলেছে রাজ্যে। এই মুহূর্তে উত্তুরে হাওয়ার গতিপথে কোন বাধা না থাকলেও আগামী আটচল্লিশ থেকে বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের কাছাকাছি আসতে চলেছে একটি পশ্চিমীঝঞ্ঝা। এর ফলে আগামী আটচল্লিশ ঘণ্টায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের কাছে চলে যাবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এগারো দশমিক দুই ডিগ্রি , স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা একুশ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম।  

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।