তিক্ততার চরমে শরিকি সম্পর্ক, প্রকাশ্য জনসভায় বাগযুদ্ধে কংগ্রেস-তৃণমূল

Update: June 16, 2012 21:16 IST

রাজ্য চালানোর যোগ্যতা তৃণমূল কংগ্রেসের নেই বলে প্রকাশ্য জনসভায় মন্তব্য করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য। প্রদীপ ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে শোরগোল পড়ে গেছে রাজনৈতিক মহলে। অন্যদিকে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য, চাইলে মন্ত্রিসভা ছাড়তে পারে কংগ্রেস।

মাত্র এক বছর আগেই তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে রাজ্যে সরকার গড়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই দুই দলের সংঘাত পৌঁছেছে চরমে। তৃণমূলের সরকারের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র কটাক্ষই নয়, সরকার চালাতে তৃণমূলের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাও প্রকাশ্য সমাবেশে।

প্রদীপ ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য শুনে, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পাল্টা তোপ দাগা শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেসও। তৃণমূলের অভিযোগ, দ্বিচারিতার রাজনীতি করছে কংগ্রেস। শনিবার হাওড়ায় পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে কংগ্রেস চাইলেই বেরিয়ে যেতে পারে। কেউ তাদের আটকে রাখেনি। তবে মন্ত্রিসভার ভিতরে থেকে বিরোধীতা করা চলবে না। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্যের নাম না করে তিনি বলেন, মন্ত্রী হতে না পেরেই হতাশা থেকে এই সমস্ত কথা বলছেন কিছু নেতা।

বেশ কিছুদিন ধরেই দুই শরিকের সম্পর্ক ছিল যথেষ্টই তিক্ত। একে অপরকে কটাক্ষ চলছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সোনিয়া গান্ধী-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধ তৈরি হতেই, সেই সম্পর্ক এখন সংঘাতের চেহারা নিয়েছে। বাগযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছেন দুই দলের শীর্ষ নেতারাই। কংগ্রেস যখন সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়ে হাইকমান্ডের দ্বারস্থ, পাল্টা তৃণমূলের কটাক্ষ সরকার যখন এতোই খারাপ, তাহলে মন্ত্রীর গদি আঁকড়ে রাখা কেন? রাজনৈতিক মহলে এখন জোর জল্পনা, আগে ইউপিএ ছাড়বেন তৃণমূল কংগ্রেস নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে আসবে কংগ্রেস?





Post Your Comment

Total Comments:5

This is nothing but the class within the rightist forces.Those classes are expected in near future.To maintain coalition politics every one should learn from the Left Front. The politics of quearl is exposing the Bankruptcy of two parties in the Government.

There is a limit to politics of blackmail and absurd tantrums. Such cheap stunts will eventualy expose the hollowness and political bankruptcy of party that came with tremedous goodwill and expectations of people.Sychophants will lead the party to graveyard and look for greener pastures.

Age tmc er uchit upa chere beriye asa.beacuse tmc er aj ai boro kotha bolar position ta to tairi koreche upa te thekai.

আমার মতে দিদির প্রনব বাবুকে সমর্থন করা উচিত ছিল |কেননা প্রনব বাবু একজন বাঙালী এবং আমাদের দিদিও একজন বাঙালী,তাহলে কিভাবে দিদি তার বিপরীতে যায় | এরফলে তৃনমুল-কংগ্রেস একটা বড় ধাক্কা খেল|

কন্গ্রেসীরা যেভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন ,ঠিক তার বিপরিথ টা ভাবুন .আপনারাও তো বের হয়ে আসতে পারেন .পারবেন না . কারণ আপনারা এখনো অনেক কিছু কংগ্রেসের কাছথেকে শিখতে হবে.নাহলে আপনাদের দলের ক জনের যোগ্যতা আছে মন্ত্রিত্ব চালানোর .আপনারা কিছু জানেন .না কখনো করেছেন. আগে যখন কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন তখন আপনাদের কেও চিন্ত?. আজ বড় বড় কথা বলছেন.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।