তৃণমূলে এবার রায় কাজিয়া, সৌগত বনাম মুকুলের বিবৃতির লড়াই

Update: January 1, 2013 19:29 IST

মঞ্চে বসিয়ে নাম না করে  সৌগত রায়কে বোদ্ধা বললেন মুকুল রায়। তাঁর দাবি, তৃণমূলের জন্মলগ্নে অনেক বোদ্ধাই দলে যোগ দেননি। সেবারের লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন সৌগত রায়। কিন্তু তাঁকে, এভাবে প্রকাশ্যে বোদ্ধা বলা দারুন ক্ষুদ্ধ সৌগত অনুগামীরা। দলের জন্মদিনে প্রতিবছরই নিজে সমাবেশ করতেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের পরিবর্তনের পর এখন আর সমাবেশ নয়, ফেসবুকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।
 
মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছার মূলকথা...
 
মা মাটি মানুষের সরকার চলছে, সাধারণ মানুষের স্বার্থের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে রাজি এই সরকার। ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করছেন তৃণমূলের কর্মীরা।
 মুখ্যমন্ত্রী যখন তাঁর ফেসবুক বার্তায় ঐক্যবদ্ধ তৃণমূলের ছবিটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ঠিক তখনই দলের দুই শীর্ষনেতার কাজিয়া উঠে এল প্রকাশ্যে। মধ্যমগ্রামে তৃণমূল দলীয় কার্যালয়ে উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায় এবং সৌগত রায়। দলের সাংসদের দাবি, ২০০৯ সালের আগে যাঁরা তৃণমূলে এসেছেন তাঁরাই থাক প্রথম সারিতে। এরপরই নাম না করে সৌগতবাবুর বিরুদ্ধে সরাসরি কটাক্ষ মুকুল রায়ের।
সৌগতবাবুকেই কী বোদ্ধা বলে কটাক্ষ করলেন মুকুল রায়? শুরু হয়েছে জল্পনা। কেন  জল্পনা? ১৯৯৮ সালে তৃণমূলের জন্মের পরের বছর কংগ্রেস-এর প্রতীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন সৌগত রায়। মুকুলবাবুর কথায়, বোদ্ধারা তখন দলে যোগ দেননি। অর্থাত্‍, সৌগত রায়কেই বোদ্ধা বলে কটাক্ষ করলেন মুকুল রায়। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে আদি তৃণমূলের সঙ্গে নব্য তৃণমূলের লড়াই এখন  সবর্ত্র। আর এই লড়াইটা যে এখন শীর্ষস্তরেও পৌঁছে গিয়েছে তা আরও একবার দেখিয়ে দিল মুকুল সৌগত কাজিয়া। 
 

Post Your Comment

Total Comments:4

Now it is to see if an educated person like Saugata Roy sacrifices his pedigree and fall in line with the anti-social bandwagon of Mamata

I see the beginning of the fall of the great party of our beloved chief minister. Wish you all the best for the new year 2013. I feel the party which came like a phoenix has lived its life.

সৌগত বাবু আপনার আদ কন আত্ম সন্মান আছে বলে আমার মনে হয় না ।আপনি মমতার বিরুধ্যে নির্বাচনে দারিয়ে আব্র সেই মমতার কাপরের তলায় ধুকে পরলেন ,সুধু তায় নয় সামান্য একজন সিনেমার টিকিট কাল বাজারি করতেন ,আজ ত্রিনমুলের সুপ্রিম তার একমাত্র কাছের লক। সুতরাং আপনার শিখ্যা গত জগ্যতা বিসর্জন দিয়ে অই সিনেমার টিকেট কালবাজারির সঙ্গে ভাগ বাটোয়ারা করে দিদির আর কাছে জাওয়ার চেষ্টা করুন ,নাহলে আগামি দিন সাধারন জনগন আপনার গায়ে থুথু দেবে।

MR SAUGATA ROY, WE HAVE SEEN MANY DRAMA AND INHUMAN DEEDS DURING CONGRESS RULE.YOU ARE AN ABSOLUTE POWER CRAZY, MUKUL ROY A SUB LITERATE HAVE FOLLOWED THAT NOTHING HARM IN IT. YOU MR.SAUGATA, SUBRATA,PRIYA,BARID,SOUMEN,LAKSHMI,KUMUD AND SO ON HAD THE INNER FIGHTING FOR BETTERMENT OF SELF & NOT FOR PEOPLE OF WEST BENGAL OR INDIA.YOU PEOPLE RAISED THE SLOGAN ``INDIRA GANDHI JUG JUG JIO``.A COPY OF THE THEN NAXALITE MOVEMENT. MR SAUGATA OR MR.MUKUL AND YOUR ASSOCIATES PLEASE EXPLAIN US HOW AND WHEN INT BECAME INDIRA CONGRESS IS THERE ANY AUTHENTICATED DOCUMENTS ? PL. HELP US.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।