দলীয় নির্বাচনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই মাথাব্যাথা নেত্রীর

Update: May 11, 2012 17:55 IST

দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঠেকানোই যে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ, তাই আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি নির্বাচনে। পাশাপাশি এদিন কার্টুনকাণ্ড নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী।         

দলে ক্রমবর্ধমান গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মধ্যেই শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ কলকাতার মহারাষ্ট্র নিবাস হলে এই নির্বাচন হয়। হাজির ছিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। প্রত্যাশামতোই তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে পুনর্বহাল হয়েছেন সুব্রত বক্সী। সভায় দলীয় কর্মীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন দলনেত্রী। প্ররোচনায় পা দেবেন না বলেও তৃণমূল নেতা কর্মীদের সাবধান করে দেন তিনি। সভায় কার্টুনকাণ্ড নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কার্টুন এঁকে তাঁর চরিত্রহনন করেছেন ওই অধ্যাপক। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে ফের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের একাংশ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।