গড়িয়ায় দোকানঘর দখল করে তৃণমূলের পার্টি অফিস

Update: January 16, 2013 19:23 IST

গড়িয়ায় দোকানঘর দখল করে  তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠল। দোকান মালিকের অভিযোগ, কয়েকদিন আগেই তার ফার্স্ট ফুড সেন্টারের দোকানে আগুন লাগে। তারপর থেকেই বন্ধ ছিল  দোকান। এরপর দোকান খুলতে গেলে বাধা দেয় বিমল চ্যাটার্জি ও কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। দোকানে তৃণমূল কংগ্রেসের হোর্ডিং লাগিয়ে দেওয়া হয়।

পাটুলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন দোকান মালিক।

তবে এবিষয়ে পুলিস এখনও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। আজ কলকাতা পুলিসের ডিসি এসএসডির সঙ্গে দেখা করেন ওই দোকান মালিক। গোটা ঘটনার সুবিচার চেয়ে পুলিসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:1

MAMOTAR CHAMCHERA- BOBBY HAKIM,MADAN MITRA PARTHO CHATTERJEE BA JAKAU BIBRITI DEBEN ``OKHANE KONO FAST FOODER DOKAN CHILO NA ETA CPM O CPMER DALAL TV CHANELER MITHYA PROCHAR,MOMATER UNNOYONER GOTIKE STABDHO KORTE CPMER CHALAKI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।