শাসকের শাসানি রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনকে

Update: November 24, 2012 16:54 IST

এবার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের শাসানির মুখে পড়লেন খোদ রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুনন্দা মুখার্জি। বাঘাযতীন জোড়াবাগান এলাকায় একটি জলাজমি ভরাটের বিরুদ্ধে স্থানীয় যুবকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেকারণেই বাড়িতে এসে তাঁকে ও তাঁর দুই মেয়েকে শাসিয়ে যায় তৃণমূল সমর্থকেরা।  

বাঘাযতীনের জোড়াবাগান এলাকার এই সাড়ে পাঁচ কাঠা  জলাজমি ভরাট করে প্রমোটিংয়ের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছিলেন ওই এলাকারই বাসিন্দারা। এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুনন্দা মুখার্জি। অভিযোগ, সেকারণেই শুক্রবার সুনন্দাদেবীর স্বামী, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ক্ষিতি গোস্বামীর অনুপস্থিতিতে তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় ২৫-৩০ জন তৃণমূল কর্মী। সুনন্দাদেবী এবং তাঁর দুই মেয়েকে শাসিয়ে যায় তারা।   

এঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল কর্মী গৌতম ব্যানার্জি। ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে না চাইলেও অভিযুক্তদের সাফাই, এর আগে ওই জলাভূমির একটা বড় অংশ বুজিয়ে প্রোমোটিং হয়। তখন বাধা দেননি সুনন্দাদেবী। বাকি অংশ আবর্জনা পড়ে ভরাট হয়ে গেছে। এখন অযথা এ নিয়ে হইচই করা হচ্ছে। তবে এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি সুনন্দাদেবী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।