টিএমসিপির `সিজন্যাল বিজনেস`-২৪ ঘণ্টা এক্সক্লুসিভ

Last Updated: Thursday, June 6, 2013 - 20:35

শিক্ষাক্ষেত্রে চূড়ান্ত নৈরাজ্য, তাণ্ডবের পর এবার তোলাবাজি। কাঠগড়ায় সেই শাসকদলের ছাত্র সংগঠনই। অভিযোগ, কলকাতার একাধিক কলেজে অনলাইনে ভর্তিতে সাহায্য করার নামে কার্যত তোলা তুলছেন টিএমসিপির নেতারা। তবে অভিযুক্তদের সাফাই, এটা তাঁদের সিজন্যাল বিজনেস।  কলেজে ভর্তির জন্য আসা পড়ুয়াদের থেকে তোলা আদায়, বেপরোয়া কথোপকথন, সবই ধরা পড়ল চব্বিশ ঘণ্টার গোপন ক্যামেরায়।  
কারা এই দীনের বন্ধু? গড়িয়ার দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজের তৃণমূল ছাত্রপরিষদ নেতৃত্বের দাবি, তাঁরাই দীনের বন্ধু। কেন? এমন দাবির সূত্রপাতটা কোথায়?
 
দীনের বন্ধুদের দাবি তারা এসব করছেন কারণ কারুর যাতে ভোগান্তি না হয়। ভোলবদল হল মুহূর্তেই। দীনের সেবা থেকে এক লহমায়  সিজন্যাল বিজনেসে ব্যস্ত হয়ে পড়েন একাধিক কলেজের টিএমসিপি নেতারা। পরিষ্কার বললেন, টাকা নেওয়ার কথা। 
গোপন ক্যামেরার সামনে টিএমসিপি`র নেতারা বললেন, এটা সিজন্যাল বিজনেস। কী এই বিজনেস?  -একবার দেখে নেব
 
সোমবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশ হয়েছে। কলেজে ভর্তির জন্য লাইন দিয়ে ফর্ম ফিলাপের ঝক্কি এড়াতে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে অনলাইনে ভর্তির বন্দোবস্ত করা হয়েছে রাজ্যের সব কলেজেই।
 
এই ভর্তির জন্য পঁচাত্তর টাকা নির্ধারিত করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে ফর্ম ফিলাপের নামে রীতিমত হেল্পডেস্ক খুলে বাড়তি টাকা আদায় করছে শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের নেতারা। সংখ্যাটা কোথাও পঞ্চাশ, কোথাও আবার একশো।
 
উত্তরের জয়পুরিয়া থেকে দক্ষিণের দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ, আশুতোষ। সর্বত্রই একই ছবি। কলেজ চত্বরেই এখন ল্যাপটপ ব্যস্ত আনাগোনা তাবড় তাবড় তৃণমূল ছাত্র নেতার । কী করেন তাঁরা?
  
আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের পরামর্শ মেনে বাঙালি যুবসম্প্রদায় যে কলেজের মধ্যেই ব্যবসা ফেঁদে বসেছেন তা কি আদৌ জানেন কলেজ কর্তৃপক্ষ? কতটা জানেন শিক্ষামন্ত্রী? নিজেদের সাফাইয়ে অবশ্য স্বচ্ছতার ঝুড়িঝুড়ি দোহাই দিয়েছেন টিএমসিপির এই করিত্কর্মা নেতারা।

এই 'বিজনেস'-এর এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখুন



First Published: Saturday, June 8, 2013 - 13:09
TAGS:


comments powered by Disqus