আপনার ট্রাভেলগ এবার ২৪ ঘণ্টা.কমে

Update: December 3, 2012 19:39 IST

বাইরে ঘুরতে গিয়েছিলেন? বাড়ি ফিরে এখনও ব্যাগপ্যাকটাও খোলা হয়নি? ফেসবুকে সবকটা ছবি আপলোড করেও ঘোরার সবটা মুহুর্ত ব্যক্ত করতে পারছেন না। আপনার বেড়ানোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন আমাদের সঙ্গে। আপনার চোখে আমরা দেখব পাহাড়, সমুদ্র, কিংবা সাত সমুদ্র তেরো নদীর পারের জায়গাগুলিকে। বিদেশ-বিভূঁই ঘুরে বেড়ানোর কথা হোক, কিংবা গা ছম ছম করা জঙ্গল। ট্রাভেলগ পাঠান ২৪ ঘণ্টা.কমকে। আমাদের ওয়েবসাইটে স্থান দেওয়া হবে বাছাই করা ট্রেভেলগগুলিকে।

. ট্রাভেলগ লিখুন বাংলা ভাষায়
. ৫০০ শব্দের মধ্যে লেখা হওয়া চাই
. কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, ও কী কী দেখবেন, সবকিছুর স্পষ্ট উল্লেখ থাকা চাই ট্রাভেলগটির মধ্যে
. সঙ্গে ছবি পাঠাতে যেন ভুলবেন না (একাধিক ছবি পাঠাতে পারেন)
. লেখা পাঠান web24@24ghanta.com-এই মেল ঠিকানায়




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।