সিপিআইএমের পার্টি অফিসে তৃণমূলের আক্রমণ

Update: February 8, 2013 23:47 IST

বেলেঘাটায় সিপিআইএমের রাসমণি বাজার আঞ্চলিক কমিটির  কার্যালয়ে হামলা চালাল একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী। এ ঘটনায়  তৃণমূলকেই দায়ী করেছেন  স্থানীয় সিপিআইএম নেতৃত্ব। অভিযোগ, আজ রাত সাড়ে আটটা নাগাদ জনা ৪০ সশস্ত্র দুষ্কৃতী কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালাতে শুরু করে। মারধর করা হয় দলের জোনাল কমিটির সদস্য অমল খাটুয়াকে। হামলায় আহত হন আরও দুই সিপিআইএম কর্মী।

এরপর দুষ্কৃতীরা এলাকার আরও কয়েকটি সিপিআইএম সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পাঁচু দাস নামে এক সিপিআইএম সমর্থকের বাড়ির সামনে দুষ্কৃতীরা শুন্যে গুলিও ছোঁড়ে বলে অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের।  হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সিপিআইএম নেতা মানব মুখার্জি। তিনি বলেন, দশই ফেব্রুয়ারি সিপিআইএমের কলকাতা জেলা কমিটির ডাকে শহিদ মিনারে জমায়েত।

তার আগে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের সন্ত্রস্ত করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা।

Post Your Comment

Total Comments:6

TMC BERE GECHHE..WEST BENGOLE ANOSTHA DEKE ABAR VOTE KORA UCHIT KARON MAMOTA BENARJI SASHON CHALATE PARBE NA..TAR KARON HOLO TAR MONTRI SABITRI MITRO / CPIM JINDA BAD LAL JHANDA JINDA BAD LAL LAL LAL SELAM

TMC BERE GECHHE..WEST BENGOLE ANOSTHA DEKE ABAR VOTE KORA UCHIT KARON MAMOTA BENARJI SASHON CHALATE PARBE NA..TAR KARON HOLO TAR MONTRI SABITRI MITRO / CPIM JINDA BAD LAL JHANDA JINDA BAD LAL LAL LAL SELAM

thik koreche..aro age kora uchit chilo...sala nijera bhang-chur kore anner name dosh dite lajja kore naa...sei dolaer neta abar nijeke sat bole berache....

``TIT FOR TAT``.....

My salute to this new form of Democracy which is being taught to us by ruling party of Bengal.

My salute to this new form of Democracy which is being taught to us by ruling party of Bengal.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।