`তৃণমূলের ১২জন নেতা সারদা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত`

সারদা আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে বারবারই নাম জড়িয়েছে শাসকদলের বহু নেতা মন্ত্রীর। সারদা কর্তার সিবিআইকে লেখা চিঠিতেই প্রথম ফাঁস হয় তৃণমূলের দুই সাংসদ কুণাল ঘোষ ও সৃঞ্জয় বসুর নাম। সংবাদমাধ্যমের হাতে আসে সারদার অনুষ্ঠানে পরিবহণমন্ত্রীর বলা বিন্দু থেকে সিন্ধু বানানোর তত্ত্ব। গ্রেফতার হওয়ার পর সারদা প্রতারণায় খোদ মুখ্যমন্ত্রী সহ ১২ তৃণমূল নেতাকে কাঠগড়ায় তোলেন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।

Updated: Apr 19, 2014, 12:03 PM IST

সারদা আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে বারবারই নাম জড়িয়েছে শাসকদলের বহু নেতা মন্ত্রীর। সারদা কর্তার সিবিআইকে লেখা চিঠিতেই প্রথম ফাঁস হয় তৃণমূলের দুই সাংসদ কুণাল ঘোষ ও সৃঞ্জয় বসুর নাম। সংবাদমাধ্যমের হাতে আসে সারদার অনুষ্ঠানে পরিবহণমন্ত্রীর বলা বিন্দু থেকে সিন্ধু বানানোর তত্ত্ব। গ্রেফতার হওয়ার পর সারদা প্রতারণায় খোদ মুখ্যমন্ত্রী সহ ১২ তৃণমূল নেতাকে কাঠগড়ায় তোলেন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।

সারদা কেলেঙ্কারির গোড়া থেকেই নাম জড়িয়েছে শাসকদলের একাধিক নেতা কর্মীর।

সারদা-শাসক যোগ:
মদন মিত্র
বিন্ধুতে সিন্ধু দর্শন

২৩ এপ্রিল, ২০১৩
জম্মু-কাশ্মীরের শোনমার্গ থেকে গ্রেফতার হয় সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন।

২৪ এপ্রিল, ২০১৩

প্রকাশ্যে এল সিবিআইকে লেখা সুদীপ্ত সেনের চিঠি। ছয়ই এপ্রিলের তারিখ দেওয়া চিঠিতে সুদীপ্ত সেন সিবিআই হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে দুই সাংসদ কুণাল ঘোষ, সৃঞ্জয় বসুর নাম। মিডিয়ায় ফাঁস হচ্ছে মদন মিত্র, শতাব্দী রায়দের সারদা ঘণিষ্ঠতার কথা। সে সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে দলের কর্মিসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কুনাল চোর? টুম্পাই চোর? মদন চোর? মুকুল চোর? আমি চোর? আর তোমরা সব সাধু?

ক্লিনচিট পাওয়া সেই কুণালকেই ২৩ নভেম্বর গ্রেফতার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস। গ্রেফতার হওয়ার পরে পুলিসি হেফাজত থেকেই কুণাল ঘোষ ফেসবুক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়, কে ডি সিং, মদন মিত্র-সহ বারো জনের নাম লিখে বলেছিলেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে সারদা কারবারের এ টু জেড জানা যেতে পারে। গ্রেফতারির আশঙ্কায় আগেই একটি বিস্ফোরক ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন কুণাল ঘোষ। সেই ভিডিওতেও কুণাল ঘোষের জবানিতে উঠে এসেছে একের পর এক তৃণমূল নেতার নাম।

তাঁদের মধ্যে আছে সৃঞ্জয় বসু ওরফে টুম্পাইয়ের নাম। আছে মদন মিত্রের নাম। কি আশ্চর্য কুণাল ঘোষের বিস্ফোরক অভিযোগে উঠে আসা এই নামগুলিই তো বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সারদা কাণ্ডে প্রথম থেকেই সুদীপ্ত সেনের সিবিআইকে দেওয়া চিঠি কিম্বা কুণাল ঘোষের বিস্ফোরক অভিযোগে নাম জড়িয়েছে শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের। সুদীপ্ত সেনের স্ত্রী ও পুত্রকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের জেরাতেও উঠে আসছে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম। সূত্রের খবর জেরা করা হতে পারে তৃণমূলের সাত নেতা-মন্ত্রীকে। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে তবে কী শাসকদলের প্রত্যক্ষমদতেই ফুলে ফেঁপে উঠেছিল সারদা সাম্রাজ্যের প্রতারণার কারবার? উত্তর দেবে সময়।