ইউজি কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

Update: May 25, 2012 19:51 IST

স্থগিত হয়ে গেল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কাউন্সিলের শিক্ষক সদস্য নির্বাচন। চুক্তিভিত্তিক পুর্ণ সময়ের শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। সেক্ষেত্রে নিয়মাবলী পরিবর্তন করে এই প্রতিনিধিত্ব রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতদিন শুধুমাত্র পুর্ণ সময়ের শিক্ষক শিক্ষিকারাই এই সুযোগ পেতেন। যদিও চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের রাখা কতটা যুক্তিযুক্ত সেবিষয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কাউন্সিলের ১২ জন শিক্ষক সদস্যকে নির্বাচনের জন্য কিছুদিন আগে নোটিফিকেশন দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এরপরেই প্রশ্ন ওঠে, কলেজের চুক্তিভিত্তিক পুর্ণ সময়ের শিক্ষকরা কেন কাউন্সিলের সদস্য হওয়ার সুযোগ পাবেন না? কেন তাদের ভোটাধিকার থাকবে না? চুক্তিভিত্তিক পুর্ণ সময়ের শিক্ষকদের দাবি, যেহেতু তারা সরকারের কাছ থেকে বেতন পান, ফলে তাঁদেরও শিক্ষক হিসাবে সরকারি স্বীকৃতি আছে। তাই তাঁদেরও ইউজি কাউন্সিলের সদস্য হওয়ার ও ভোটদানের অধিকার থাকা উচিত। সব দিক বিবেচনা করে শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, চুক্তিভিত্তিক পুর্ণ সময়ের শিক্ষকদের দাবি মানতে আপাতত নির্বাচন বন্ধ রাখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বদল করে চুক্তিভিত্তিক পুর্ণ সময়ের শিক্ষকদের দাবি মানার কথা ভাবা হয়েছে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ বহু কলেজেই চুক্তিভিত্তিক পুর্ণ সময়ের শিক্ষকদের যোগ্যতা প্রশ্নাতীত নয়। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কাউন্সিলে তাদের প্রতিনিধিত্ব এনে তাদের দিয়ে কলেজের গুরুত্বপুর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ানো কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।