পুজোর আগেই খুলে যেতে পারে উল্টোডাঙা ফ্লাইওভার

পুজোর আগেই খুলে যেতে পারে উল্টোডাঙা ফ্লাইওভার। এমনটাই আশা করছে কেএমডিএ। ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ার পর প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। এমুহুর্তে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে। দু হাজার তেরোর চৌঠা মার্চ ভোরে উল্টোডাঙা ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে লরির ধাক্কায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল আস্ত একটি অংশ। সামান্য একটি লরির ধাক্কায় কীভাবে এমন হওয়া সম্ভব, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে আসে ফ্লাইওভার তৈরিতে বেশ কিছু ত্রুটির কথা।

Updated: Jul 12, 2014, 12:16 PM IST

পুজোর আগেই খুলে যেতে পারে উল্টোডাঙা ফ্লাইওভার। এমনটাই আশা করছে কেএমডিএ। ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ার পর প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। এমুহুর্তে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে। দু হাজার তেরোর চৌঠা মার্চ ভোরে উল্টোডাঙা ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে লরির ধাক্কায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল আস্ত একটি অংশ। সামান্য একটি লরির ধাক্কায় কীভাবে এমন হওয়া সম্ভব, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে আসে ফ্লাইওভার তৈরিতে বেশ কিছু ত্রুটির কথা।

মূলত সেতুর ওজন ও যানবাহনের চাপ সহ্য করে ভারসাম্য বজায় রাখাই বেয়ারিংয়ের কাজ। বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারিংদের একাংশের বক্তব্য, যে দু-ধরনের বেয়ারিং বসানো হয়েছিল তা ভুল করে সম্পূর্ণ উল্টো লাগানো হয়।

শুধু বেয়ারিংয়ের ভরসায় ফ্লাইওভারে অত বড় বাঁক রাখা উচিত হয়নি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, টার্নিং রেডিয়াস খুবই কম ছিল।
নিচে ছিল না কোনও পিলারও।

সারাইয়ের পর নতুন করে বেয়ারিং বসানোর কাজ এখন প্রায় শেষের পথে।

এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ ভিআইপি থেকে ইএম বাইপাস সংযোগকারী এই সেতু। এটি ফের খুললে মানুষের ভোগান্তি কমবে সন্দেহ নেই, কিন্তু এক বছর আগের স্মৃতি যে ভবিষ্যতেও তাড়া করে বেড়াবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত সকলেই।