পাঠ্যপুস্তক ছাপবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, আতান্তরে প্রকাশকরা

Update: April 10, 2012 21:34 IST

আগামী বছর স্কুলগুলির সপ্তম শ্রেণির সব পাঠ্যপুস্তক নিজেরা ছাপানোর উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এর ফলে লোকসানের আশঙ্কা করছে পাঠ্যপুস্তকের প্রকাশক ও বিক্রেতারা। বঙ্গীয় প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতা সভা হুমকি দিয়েছে, পর্ষদ ওই পথে এগোলে তারাও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।   

মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, স্কুলের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত পাঠ্যপুস্তক নিজেরাই ছাপাবে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সে সময় পথে নামে প্রকাশক ও পাঠ্যপুস্তক  বিক্রেতাদের সংগঠন বঙ্গীয় প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতা সভা। এরপর সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শ্রমমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী। তাঁদের বলা হয়, এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফের এ নিয়ে সরকার আলোটনায় বসবে। কিন্তু এপ্রিল মাস পর্যন্ত সেই আলোচনা হয়নি।

এরই মধ্যে পুস্তক বিক্রেতারা জানতে পেরেছেন, আগামী বছরের সপ্তম শ্রেণির সব পাঠ্যপুস্তক পর্যদ নিজেরাই ছাপাবে। এদিকে এখনও পর্যন্ত সরকার বা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কিছু না জানানোয়, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন প্রকাশক বই ছাপানো শুরু করে দিয়েছেন। ফলে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা তাঁদের। ফলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এই উদ্যোগকে ঘিরে চূড়ান্ত আশঙ্কা ও সংশয়ে রয়েছেন পাঠ্যপুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতারা।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।