রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট ২৬ ও ৩০ এপ্রিল: সুব্রত

Update: March 22, 2013 20:50 IST

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সমস্ত প্রস্তাব অগ্রাহ্য করে পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। ২৬ ও ৩০ এপ্রিল দু`দফায় ভোটের প্রস্তাব দিল রাজ্য। এই মর্মে আজই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জির ঘোষণা অনুযায়ী, বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রস্তাবও মানছে না রাজ্য সরকার। মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরে ভোটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ৩০ এপ্রিল। বাকি জেলাগুলিতে ভোট হবে ২৬ এপ্রিল। সিপিআইএম জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা শুনেই তারা এব্যাপারে মন্তব্য করবে। কংগ্রেসের মতে,  রাজ্যের এই ঘোষণা প্রহসন। 

Post Your Comment

Total Comments:2

sabito holo ei rajyo j sdhu vote r jnyoi chole seta aj poriskar ami eibar thke vote boycott korlam apnader sab media r kache mamata banerjee r fb page sab jaigai amra ssc r result jante cheyechi kb but 3 months kete gele o apnader karor time hpoini ta jananor.... amra bekar parbona eto takar degree dhore paner dokan dite ba dhoop bikri korte er thke ami atlst suicide kora valo mone kori ha ami har manchi amar lyf r kache ... er jnyo dayi rajyo sarkarer sikhya bebostha

cpim er motoi tmc gayer jore, nijeder moto vote korte chaiche...

  • harmad
  • Posted: 3/23/2013 9:37:57 AM

cpim west bengal er loke ke thokiyeche bole..tmc ke ki loke thokate hobenaki...ei janna ki poriborton...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।