গ্রেফতার মাতঙ্গিনী মহিলা সমিতির সদস্য, উঠছে প্রশ্ন

Last Updated: Saturday, August 3, 2013 - 21:01

মাওবাদী সন্দেহে ধৃত মাতঙ্গিনী মহিলা সমিতির সদস্য জয়িতা দাসকে ১৬ অগাস্ট পর্যন্ত পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার সন্ধেয় টালিগঞ্জ এলাকা থেকে  জয়িতাকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিসের এসটিএফ। পুলিসের দাবি,  জয়িতা মাওবাদীদের কলকাতা জেলা কমিটির সক্রিয় সদস্য। জয়িতার বাড়ি চারু মার্কেট থানা এলাকায়। গতকাল বিকেলে তাঁর বাড়িতেও তল্লাসি চালায় পুলিস। পুলিসের দাবি জয়িতার বাড়ি থেকে মাওবাদীদের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও বই উদ্ধার হয়েছে। 
যাদবপুরের ফিল্ম স্টাডিসে এম এ  দ্বিতীয় ছাত্রী জয়িতা দাস। শুক্রবার সন্ধেয় কলকাতা পুলিসের এস টি এফ গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ ১৮, ১৮বি, ২০, ৩৯ ধারা ছাড়াও ভারতীয় দণ্ডবিধির আরও কয়েকটি ধারা আনা হয়েছে। পুলিসের দাবি জয়িতার ব্যাগ থেকে মাওবাদী চিঠিপত্র, সন্দেহমূলক কাজের নথি মিলেছে। শুক্রবার তার বাড়ি থেকে চিঠিপত্র উদ্ধার করে পুলিস।
 
জয়িতা দাসের গ্রেফতার নিয়ে সরব হয়েছে এপিডিআর। শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালত চত্বরে জয়িতা দাসকে পেশ করার সময় স্লোগান দিতে থাকেন এপিডিআরের সদস্যরা। স্লোগান শোনা যায় যাদবপুরের বহু ছাত্র-ছাত্রীদের মুখেও।
 জয়িতা মাতঙ্গিনী মহিলা সমিতির সদস্য ঠিকই। কিন্তু এই সংগঠন নিষিদ্ধ নয়। ফলে যথেষ্ট প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র এই সংগঠনের সদস্য হওয়ার কারণে কাউকে গ্রেফতার করা যায় না বলেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এপিডিআর। তেমনই কোনও সংগঠনও করলে তাতেত মাওবাদী তকমা দেওয়া হচ্ছে বলেই অভিযোগ এপিডিআরের।  গ্রেফতারির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন জয়িতা দাসের স্বামী।
পুলিস দাবি করছে জয়িতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার বাড়ি থেকে। পরিবারের পাল্টা দাবি রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন থেকেই গ্রেফতার হয়েছে জয়িতা। প্রথম থেকেই মামলাটি ভুল পথে চালিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জয়িতা দাসের আইনজীবী। ট্রেনের টিকিট থাকা সত্ত্বেও তাকে জোর করে গ্রেফতার করা হয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়ে মা-বাবা সোমবার মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে।



First Published: Sunday, August 4, 2013 - 14:45


comments powered by Disqus