মহাকরণ সরছে, ঘুম ছুটেছে খাবার বিক্রেতাদের

মহাকরণ সরছে। কিছু দিনের জন্য সরছে শিবপুরের এইচআরবিসি ভবনে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকে ঘুম ছুটেছে মহাকরণের খাবার বিক্রেতাদের ।  লালবাড়ির ভিতরে ও বাইরে খাবার বিক্রি করে তাঁদের সংসার চলে। দোকান বন্ধ হলে অচল হবে সংসার। বুঝতে পারছেন সকলেই। তবে আশা একটাই, বিকল্প নিশ্চয়ই কিছু একটা ব্যবস্থা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সর্বোচ্চ  প্রশাসনিকভবন মহাকরণের অস্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে হাওড়া শিবপুরের মন্দিরতলা। সংস্কারের জন্য এইচআরবিসি ভবনেই মহাকরণকে সাময়িক তুলে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু  মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত কপালে ভাঁজ ফেলেছে মহাকরণের ভিতর ও বাইরের অজস্র দোকানীর।

Updated: Aug 12, 2013, 10:18 PM IST

মহাকরণ সরছে। কিছু দিনের জন্য সরছে শিবপুরের এইচআরবিসি ভবনে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকে ঘুম ছুটেছে মহাকরণের খাবার বিক্রেতাদের ।  লালবাড়ির ভিতরে ও বাইরে খাবার বিক্রি করে তাঁদের সংসার চলে। দোকান বন্ধ হলে অচল হবে সংসার। বুঝতে পারছেন সকলেই। তবে আশা একটাই, বিকল্প নিশ্চয়ই কিছু একটা ব্যবস্থা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সর্বোচ্চ  প্রশাসনিকভবন মহাকরণের অস্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে হাওড়া শিবপুরের মন্দিরতলা। সংস্কারের জন্য এইচআরবিসি ভবনেই মহাকরণকে সাময়িক তুলে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু  মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত কপালে ভাঁজ ফেলেছে মহাকরণের ভিতর ও বাইরের অজস্র দোকানীর।
 
বিধানচন্দ্র রায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কোঅপারেটিভ তৈরি করে খাবার বিক্রি শুরু হয় মহাকরণে। জ্যোতি বসুর আমলে বিভিন্ন দফতরের সামনে স্টল দিয়ে শুরু হয় খাবার বিক্রি। কিন্তু নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এইসব বিক্রেতাদের ঠাঁই হয় মহাকরণের একতলায়। মহাকরণ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর কী ভাবছেন তাঁরা?
 
মহাকরণের একতলায় বেশকয়েকটি ক্যান্টিন রয়েছে। যেগুলি থেকে লাইসেন্স ফি নিত সরকার। ২০১১-এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে  লাইসেন্স ফি নেওয়া বন্ধ হয়েছে। মহাকরণ সরানোর সিদ্ধান্তে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তাঁরাও।
 দোকানীদের রুজি রুটির বিষয়টি দেখার জন্য সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছে  আইএনটিটিইউসি। অন্যদিকে তৃণমূল প্রভাবিত ফেডারেশনের দাবি সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী।