অনিয়মের মাঝেই বিমানবন্দর নির্বাচন জিতল তৃণমূল জোট

Update: January 30, 2013 10:41 IST

কর্মী ইউনিয়নের নির্বাচনকে ঘিরে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দফায় দফায় অশান্ত হয়ে ওঠে দমদম বিমানবন্দর। মধ্যরাতে ভোট গণনা শেষে ১৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রভাবিত কামগড় ইউনিয়ন। নির্বাচনে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগ তোলে বাম সমর্থিত এয়ারপোর্ট অথরিটিজ এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন। শুধু ভোট দিতে বাধা দেওয়াই নয়, পুলিসের সামনেই ভোট দিতে ইচ্ছুক বাম কর্মীদের মারধরের ঘটনা ঘটে দমদম বিমানবন্দরে।  নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এয়ারপোর্ট অথরিটির গাড়িতে চড়ে ভোট দিতে আসার অভিযোগও ওঠে তৃণমূল সমর্থিত কর্মী ইউনিয়নের  বিরুদ্ধে।

কর্মী ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত অশান্তি চলল কলকাতা বিমান বন্দরে। মঙ্গলবার কলকাতাসহ দেশের মোট ১২৬টি বিমানবন্দরে  নির্বাচন হয়। পাঁচ বছর আগে  ভোটে জিতেছিল বাম প্রভাবিত এয়ারপোর্টস অথরিটি এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন। এবার তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বী কামগড় ইউনিয়নের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস। সারা দেশের ১২৬টা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২২ হাজার। এর মধ্যে কলকাতা বিমানবন্দরে ভোটার সংখ্যা ১৫০০। তাই ইউনিয়ন দখলের লড়াইয়ে কলকাতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভোট শুরু হতেই বাম কর্মীদের ভোট দানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এমনকী ১৪৪ ধারা অমান্য করে প্রচুর বহিরাগতদের ভিড়ও দেখা যায় বিমানবন্দর চত্বরে। পুলিসের সামনেই ভোট দিতে ইচ্ছুক বাম কর্মীদের চড় মারা হয়। 

বিকেলে গড়াতেই আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শুরু হয় ব্যাপক মারপিট এবং ভাঙচুর। বাম কর্মীরা একসঙ্গে ভোট দেওয়ার জন্য বিমানবন্দরে এলেও তৃণমূল সমর্থিত নেতা কর্মীরা প্রত্যেকটি গাড়ি চেকিং শুরু করেও বলে অভিযোগ।

গভীর রাতে ফল প্রকাশিত হলে দেখা যায় বাম প্রভাবিত এয়ারপোর্টস অথরিটি এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন পেয়েছে ৪৭০টি ভোট। কামগড় ইউনিয়ন ৬৬৯টি ভোট পেয়ে ১৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল কলকাতা বিমানবন্দরে। যাত্রীদের সচিত্র পরিচয়পত্র এবং বৈধ টিকিট পরীক্ষা করেই ঢুকতে দেওয়া হয় বিমানবন্দরের ভিতরে। কিন্তু তবুও কীভাবে বিমানবন্দের বহিরাগতদের প্রবেশ ঘটল সে নিয়েই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 





Post Your Comment

Total Comments:4

asole tmc party tai oniom er kendra

Tmc jitlei aniyom,beniyom ? Hasi pa6e,cpm jitle ki tobe niyom er 6ora6ori naki ?aktai sobdo use krbo pokkhopatdusto

ami trinomuler supporter a electione trinomul joi hobr chilo abong hoye gache i was so proud in the momment

CONGRESSER SATHE HAT MELATE LAJJA KORLO NA.

if cpm win then all is well for 24ghanta that why 2 zee people behind bar?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।