শ্রমজীবীদের সক্রিয় কর্মচারী সংগঠন করার পরামর্শ অমর্ত সেনের

Update: February 17, 2013 19:11 IST

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, এই দুই ক্ষেত্রে বৈষম্য, অবিচার দূর করতে কর্মচারী সংগঠনগুলিকে আরও বেশি করে উদ্যোগী হতে পরামর্শ দিলেন অমর্ত্য সেন। শনিবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন কলকাতার ৯০ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে শহরে এসেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। শুধুমাত্র শ্রমজীবী মানুষের জন্য আন্দোলন নয়, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো সমাজের বিভিন্ন মৌলিক সমস্যার সঙ্গেও ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনকে যুক্ত হতে পরামর্শ দিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমার্ত্য সেন।

অর্থনীতির উন্নয়নে ট্রেড ইউনিয়নের ভূমিকা শীর্ষক ভাষণে তাঁর মন্তব্য, "বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র কারখানা বা শ্রমজীবী মানুষের দাবি নিয়ে ট্রেড ইউনিয়নের আন্দোলনকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না।" সাধারণ মানুষের নানা সমস্যাকে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন এড়িয়ে যেতে পারে না বলেও জানান অমর্ত সেন।  
 
শুধুমাত্র শিক্ষা বা স্বাস্থ্যই নয়। সমাজে নারী নির্যাতনের ঘটনা যেভাবে ঘটছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। তাঁর মতে, "দিল্লির গণধর্ষণকাণ্ডে মানুষ সরব হয়েছেন ঠিকই।" কিন্তু ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এখনও প্রতিনিয়ত নারী নির্যাতনের যে ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও সরব হওয়া প্রয়োজন।
 
এ দিন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রবীন সাতজন নেতৃবৃন্দকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন কলকাতার ৯০ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেশের ট্রেড উইনিয়ন আন্দোলনের প্রবীন নেতা মহম্মদ আমিন।

Post Your Comment

Total Comments:1

Its really nice to read such comment but it has be organized with a common interest and we have to be careful that RIGHTS does not come alone it always comes with certain DUTIES or OBLIGATIONS. This comment is given in in light of previous history of trade union....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।