অনাস্থায় `অপরিণত রাজনীতির` পরিচয় দিয়েছে তৃণমূল: বিমান

Update: November 23, 2012 17:12 IST

পঞ্চাশ জন সাংসদের সমর্থন জোগাড় করতে পারেনি তৃণমূল। কিন্তু তারপরও অনাস্থা প্রস্তাব এনে অপরিণত রাজনীতির পরিচয় দিয়েছে ইউপিএর প্রক্তন শরিক। আজ এই ভাষাতেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি জানান, অনাস্থার পথে না হাঁটলেও রাজ্য জুড়ে এফডিআই বিরোধী প্রচার অভিযান আরও জোরদার করবে বামফ্রন্ট।

মাত্র ২১ জন সাংসদের সমর্থনে তৃণমূলের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হয়ে গিয়েছে সংসদে। অনাস্থা প্রস্তাব ইস্যুতে জাতীয় রাজনীতিতে কার্যত একঘরে হয়ে পড়েছে তৃণমূল। এই ইস্যুতে বৃহস্পতিবারই তৃণমূলকে কংগ্রেসের বি টিম বলে কটাক্ষ করেছিলেন সীতারাম ইয়েচুরি। শুক্রবার তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও। তাঁর মতে,  কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে অপরিণত রাজনীতির পরিচয় দিয়েছে তৃণমূল।
 
বিমান বসু জানান, এফডিআই ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছে বামফ্রন্ট। এছাড়া ৩ ডিসেম্বর থেকে টানা ৫০ দিন চলবে সই সংগ্রহ অভিযান। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন বিমান বসু।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।