টানা রিক্সার থিমে সাজছে বোসপুকপর শীতলা মন্দির পুজোমণ্ডপ

Update: August 26, 2012 23:03 IST

বিগত কয়েক বছর ধরেই অনবদ্য ভাবনার পরিচয় দিয়েছে বোসপুকুর শীতলা মন্দিরের পুজো। প্রত্যেকবারই থিমের চমক থাকে এই পুজোয়। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। বোসপুকুর শীতলা মন্দিরের পুজোর থিমে এবার টানা রিক্সা।

এই থিমেই এবার শহরের অন্য পুজো গুলিকে টেক্কা দিতে তৈরী হচ্ছে বোসপুকুর। মণ্ডপ তৈরী হচ্ছে টানা রিক্সার আদলে। দেবী প্রতিমার সনাতনী রূপই বজায় থাকছে। মণ্ডপের কাজ সবে মাত্র শুরু হয়েছে। রাস্তার হোর্ডিংয়ে লেখা বোসপুকুরে রহস্য। রবিবার সেই রহস্য ভেদ করলেন শিল্পী নিজে। প্রায় ১০০ খানা টানা রিক্সায় সেজে উঠবে বোসপুকুর শীতলা মন্দিরের মণ্ডপ। শক্তির উত্‍স হিসাবে থাকছে চাকা। মণ্ডপ তৈরী হচ্ছে টানা রিক্সার আদলে। 
 
সভ্যতার শুরুতে গাড়ি টানার কাজে লাগান হত পশুকে। আর আজ একবিংশ শতাব্দীতেও মানুষ টেনে নিয়ে যায় হাত রিক্সা। মুলত এই বিষয়কে অবলম্বন করেই সেজে উঠছে বোসপুকুরের মণ্ডপ

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।