বৃহত্তর বাম সাংস্কৃতিক মঞ্চের উদ্যোগ

Update: June 3, 2012 22:37 IST

বৃহত্তর বাম সাংস্কৃতিক মঞ্চ গঠনের উদ্যোগে সামিল হলেন বামপন্থী বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মীরা। তাঁদের উদ্যোগে চার বামদলের সাংস্কৃতিক ফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসছে পিডিএস, সিপিয়াইএমএল এবং সিআরএলআই। আগামী ৬ই জুন কলকাতায় সিটু অফিসে হবে এই বৈঠক।  

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধভাবে গণ-আন্দোলন সংগঠিত করার কথা ভাবছে বিভিন্ন বামদল। তবে, বহুক্ষেত্রেই তা  সম্ভব হচ্ছে না। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে এলেও বিষয়টি ভাবনাচিন্তার স্তরেই সীমাবদ্ধ রয়ে যাচ্ছে। একজোট হয়ে পথে নামার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিভিন্ন বামদলের মতাদর্শগত পার্থক্য। বামফ্রন্ট গঠিত হলেও এই ফ্রন্টের বাইরে রয়ে গেছে একাধিক বামপন্থী দল। এই পরিস্থিতিতে  সব বামদলকে এক ছাতার তলায় আনতে উদ্যোগী হয়েছেন বামমনস্ক বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মীরা। মতাদর্শগত পার্থক্যের জন্য সব দল মিলে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক আন্দোলন এখনই সম্ভব না হওয়ায় গণ-সংগঠনগুলিকে জোটবদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা। বিভিন্ন বামদলের সাংস্কৃতিক ফ্রন্টকে একজোট করার মাধ্যমেই ভবিষ্যতে বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তি স্থাপনের চেষ্টায়  সামিল হয়েছেন বামপন্থী সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

বৃহত্তর বাম সাংস্কৃতিক মঞ্চ গঠনের লক্ষ্যে আগামী ছয়ই জুন কলকাতায় সিটু অফিসে অনুষ্ঠিত হবে বৈঠক। চার বামদলের সাংস্কৃতিক ফ্রন্টের সঙ্গেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবে পিডিএস, সিপিয়াইএমএল এবং সিআরএলআই।

প্রাথমিকভাবে সাংস্কৃতিক ঐক্য গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এভাবে বিভিন্ন বামদলের কাছাকাছি আসাকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাত্‍পর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:4

কে ভাই আপনারা বাম ঐক্যের কথা বলছেন? আপনি নিজেকে আগে প্রমান করুন যে আপনি বামন নন।

বর্তমান পরিস্হিতিতে বামপন্হাই হচ্ছে উপযুক্ত পথ । প্রতিটি বামমনস্ক দল তাদের নীতি ও আদর্শে সৎ থেকে এক হোক । বিগত অনেক বছর ধরে কিছু বামদল তাদের সংগ্রামী মানসিকতা হারিয়ে ফেলেছিলেন । বেনোজল বার করে তারা একতাবদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করুন ।

ekti valo uddog dhnyabad janai bam ponthi buddhijibider

ekti valo uddog dhnyabad janai bam ponthi buddhijibider

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।