ত্রিফলা নিয়ে ধুন্ধুমার পুরসভায়

Update: November 23, 2012 18:12 IST

ত্রিফলা দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের দাবিকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা পুরসভা। পুলিসের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ এনেছেন যুব কংগ্রেস কর্মীরা। তাঁদের ১৫০ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। দুর্নীতি আর জনবিরোধী নীতির প্রসঙ্গ টেনে, যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভকে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।

ত্রিফলা আলো দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্ত করাতে হবে। এই দাবিকে সামনে রেখে শুক্রবার কলকাতা পুরসভা অভিযান করে যুব কংগ্রেস। মিছিল পুরসভার সামনে পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে পুলিস তাঁদের আটকে দেয়। শুরু হয় ধস্তাধস্তি।
 
যুব কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, পুলিস বিক্ষোভে লাঠিচার্জ করায় তাদের ৩ জন কর্মী আহত হয়েছেন।  যুব কংগ্রেসের অভিযোগ, মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ত্রিফলা আলো দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।  যুব কংগ্রেসের এই দাবিকে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। ত্রিফলা আলোর বরাত নিয়ে ইন্টারনাল অডিট চলাকালীন কেন পাওনাদারদের টাকা মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সে প্রশ্নও তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।