ফের বিধান রায়ের জন্মদিবস পালনে বিতর্ক

Update: July 1, 2012 18:33 IST

নির্দিষ্ট দিনের দুদিন আগেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন পালন ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল আগেই। আজ সেই বিতর্কই নতুন মোড় নিল যখন মহাকরণে বিধান রায়ের জন্মদিবস পালনের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মহাকরণে আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী। বিধানচন্দ্র রায়ের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ বেশকয়েকজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

বিতর্কের সূত্রপাত গত শুক্রবার। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিনের দুদিন আগেই বিধানসভায় অনুষ্ঠান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। আপত্তি জানিয়ে সেই অনুষ্ঠানে যাননি কংগ্রেস এবং বাম বিধায়কেরা। সেই বিতর্ক পিছু ছাড়ল না মহাকরণেও। রবিবার বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বিধান চন্দ্র রায়ের প্রতিকৃতিতে মালা দেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। আর এতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

কংগ্রেস নেতা ওমপ্রকাশ মিশ্রের মতে, এই ঘটনায় ফের সামনে চলে এসেছে সরকারের খামখেয়ালি মনোভাব। মুখ্যমন্ত্রীর আচরণের জেরে রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:2

Mamata siddhinta punjika dakhe Dr.B.roy ar jonmodin palito hoyacha ..

bhalo................

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।