আজ শহীদমিনারে সিপিআইএমের সভা

Update: February 10, 2013 11:37 IST

বিধানসভা নির্বাচনে কলকাতা শহরেও বামেদের ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামে। হারানো সেই জমি আদৌ পুনরুদ্ধার হচ্ছে কিনা সিপিআইএম, তার প্রমাণ মিলবে আজ শহীদ মিনারের সমাবেশে। দলের কলকাতা জেলা কমিটির একক উদ্যোগে এই সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে দাবি সিপিআইএম নেতাদের। সমাবেশে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, রাজ্য সিপিআইএমের এই তিন শীর্ষ নেতাই বক্তব্য রাখবেন।

বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র আট লক্ষ মানুষের সমর্থন পেয়েছিল বামেরা। কিন্তু গত ২০ মাসে ত্রিফলা আলো দুর্নীতি থেকে শুরু করে পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণকাণ্ড, একের পর এক ইস্যুতে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হচ্ছে সরকারকে। আর সেসব ইস্যুকেই সরকারের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করে রাস্তায় নামতে শুরু করেছেন ভোটের পর নিষ্ক্রীয় হয়ে যাওয়া বড় অংশের সিপিআইএম কর্মী। ফলস্বরূপ সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় সব সভা-সমাবেশেই ভাল সাড়া পাচ্ছে বিরোধী শিবির। আর সেই সাড়া থেকেই সিপিআইএমের মূল্যায়ণ রবিবার শহীদ মিনারের সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষ আসবেন।  

রবিবারের সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকারই যে সিপিআইএম নেতাদের টার্গেট হবে, দলের নেতাদের কথা থেকেই তা স্পষ্ট। রবিবারের সমাবেশকে সফল করতে শহরজুড়ে ২০০ টি ছোট-বড় মিটিং করেছেন সিপিআইএম। যেখানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র, গৌতম দেব, সুজন চক্রবর্তীর মতো হেভিওয়েট নেতারা।






Post Your Comment

Total Comments:2

Nijeder mullayan nijerai korun, fire asun swamohimay.opekhay thaklam.

mama banarjee

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।