ডিসেলের দাম বৃদ্ধি, আন্দোলনের পথে ট্যাক্সি, ট্রাক মালিক

Update: January 19, 2013 21:05 IST

ধাপে ধাপে, মাসে মাসে দাম বাড়বে ডিজেলের। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের জেরে রীতিমতো আশঙ্কিত ট্যাক্সিমালিকেরা। একই ভাবে সঙ্কট বাড়তে চলেছে ট্রাক পরিবহণ পরিষেবায়। প্রতিবাদে আন্দোলনে নামার কথা ভাবছেন রাজ্যের ট্রাক মালিকেরা।

ধাপে ধাপে, মাসে মাসে দাম বাড়বে ডিজেলের। ডিজেলের দাম আংশিক বিনিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। মাসে মাসে দাম লিটারে পঞ্চাশ পয়সা করে বাড়ানো হবে দাম।  এই সিদ্ধান্তের জেরে রীতিমতো বিপাকে শহরের ট্যাক্সিচালকেরা। তাঁদের আশঙ্কা, সরকারি নিয়ন্ত্রণ উঠে যাওয়ায় যখন তখন ডিজেলের দাম বাড়াতে পারে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি।

ট্রাক ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়বে পণ্য পরিবহণে। ইতিমধ্যেই টায়ার এবং যন্ত্রাংশের দাম বাড়ায় সমস্যায় রয়েছেন তাঁরা। এর ওপর ধাপে ধাপে ডিজেলের দাম বাড়লে সঙ্কট আরও তীব্র হবে। রাজ্য ও কেন্দ্র মিলিয়ে ডিজেলের দামে সেস নেওয়া হয় ছটাকা। এই সেস প্রত্যাহারের দাবিও দাবিও জানিয়েছেন ট্রাক মালিকেরা।

এরাজ্যে রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ ট্রাক। এর মধ্যে নানা কারণে প্রায় পঞ্চাশ হাজার ট্রাক বসে গিয়েছে। ডিজেলের বর্ধিত দাম এই সমস্যাকে আরও তীব্র করবে। ফলে আগামী দিনে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে নামার কথা ভাবছেন রাজ্যের ট্রাক মালিকেরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।