পাওনা আদায় করতেই হাওড়ার ইঞ্জিনিয়ার অপহরণ

Update: April 29, 2012 19:29 IST

পাওনা টাকা আদায় করতেই ইঞ্জিনিয়ার অমরেশ মান্নাকে অপহরণ করা হয়েছিল। অভিযোগ, মোবাইলের টাওয়ার বসানোর জন্য হেমতাবাদের আব্দুল মালিকের থেকে সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন ধার অমরেশ মান্না। সেই টাকা আদায়ের জন্যই তাঁকে হেমতাবাদে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে একটি রাইস মিলে তাঁকে লুকিয়ে রাখে আব্দুল। কিন্তু গোটা ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরেই তাঁকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা।

বুধবার অপহৃত হন ইঞ্জিনিয়ার অমরেশ মান্না। কাজের সূত্রে তিনি হাওড়ায় থাকতেন। শনিবার রাতে মালদা স্টেশন থেকে তাঁকে উদ্ধার করেন হাওড়া সিটি পুলিসের গোয়েন্দারা। রবিবার তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়।  বাজারে তাঁর প্রচুর দেনা রয়েছে বলে পুলিসের কাছে স্বীকার করেছেন অমরেশ মান্না। সম্প্রতি মোবাইলের টাওয়ার বসানোর জন্য হেমতাবাদের আব্দুল মালিকের থেকে সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তিনি।  কিন্তু টাওয়ার বসানোর কোনও কাজই হয়নি। সেই টাকা আদায়ের জন্যই অমরেশ মান্নাকে হেমতাবাদে ডেকে পাঠিয়েছিলেন আবদুল মালিক। সেখানেই তাঁকে একটি রাইস মিলে লুকিয়ে রাখা হয় বলে জানতে পেরেছে পুলিস। মুক্তিপণ চেয়ে আবদুলই বাড়িতে ফোন করেছিল বলেও অনুমান পুলিসের। এখন আব্দুল মালিকের খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে পুলিস।  

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।