এসএসকেএমের অগ্নিকান্ডের পর তৎপর হল সরকার

Update: November 26, 2012 20:47 IST

এসএসকেএম অগ্নিকাণ্ডের জেরে এবার তত্পর হল দমকল বিভাগ। এখন থেকে কলকাতার ৩ টি সরকারি হাসপাতালের বাইরে রাতে মোতায়েন থাকবে দমকলের একটি করে ইঞ্জিন। আজ মহাকরণে একথা জানান দমকলমন্ত্রী জাভেদ খান।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, আপাতত এসএসকেএম, আর জি কর ও এনআরএস হাসপাতালের বাইরে মোতায়েন থাকবে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাযুক্ত দমকলের ইঞ্জিনগুলি। প্রাথমিকভাবে রাত আটটা থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত দমকলের ইঞ্জিনগুলি রাখা থাকবে। এই তিন সরকারি হাসপাতালেই সংস্কারের কাজ চলছে। এই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইঞ্জিনগুলি রাখা হবে বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:1

I am very happy for that disition.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।