গার্ডেনরিচ কাণ্ড: মুন্না ঘনিষ্ঠের থেকেই ঘাতক অস্ত্র সুভানের হাতে

Update: February 21, 2013 19:03 IST

গার্ডেনরিচে এসআই তাপস চৌধুরি খুনের ঘটনায় সামনে এলো নয়া তথ্য। যে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে তাপস চৌধুরীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়  সেটি ঘটনার দিনই হাতে পেয়েছিল মূল অভিযুক্ত শেখ সুভান। সিআইডির জেরায় সুভান জানিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রটি তঁকে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মুন্না ইকবালের ঘনিষ্ঠরা।

হরিমোহন ঘোষ কলেজ চত্ত্বরে গণ্ডগোল শুরুর ঘণ্টা খানেক আগে ওয়ান শটার পিস্তলটি হাতে আসে সুভানের। জেরায় শেখ  সুভানের এই স্বীকারোক্তি বলে সিআইডি সূত্রে খবর। গতকাল রাতে তাপস চৌধুরী হত্যায় মূল অভিযুক্ত শেখ সুভানকে সঙ্গে নিয়ে গার্ডেনরিচের ফতেপুর রোড ভিলেজ এলাকায় তল্লাশি চালায় সিআইডি।। এলাকার একটি নির্মীয়মান বহুতল থেকে এসআই খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি  উদ্ধার করা হয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি ব্যলেস্টিক পরীক্ষায় পাঠানো হচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:2

ইকবাল বা অন্য কাউকে না খুজে হাকিম সাহেব জেলে পাঠিয়ে জেরা করলে আর আনেক তথ্য এবং আর আনেক মন্ত্রির নাম পাওয়া যাবে

k.p, f.h ,m.i no one good for us.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।