বরাত জোরে আরও বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

Update: February 27, 2013 15:07 IST

সূর্য সেন মার্কেটে কীভাবে লাগল আগুন ? কেমন করে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল গোটা বাড়িতে ? কী উঠে আসছে দমকলের তদন্তে ? চব্বিশ ঘণ্টার রিপোর্ট।

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রোডের সূর্য সেন মার্কেট। ভোর তিনটে নাগাদ আগুন লাগে পাঁচতলা বাজারে। আগুন লাগার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হলেও ইতিমধ্যেই প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট জমা দিয়েছে দমকল। জানা গেছে, বাড়িটির তিনতলায় পিছনের দিকে এক আইনজীবীর চেম্বার থেকেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন। চেম্বারের পুরনো ফ্রিজে শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লাগে বলে প্রাথমিক অনুমান দমকলের।

বিদ্যুতের তার বেয়ে আগুন মূহুর্তে পৌঁছে যায় একতলার মিটার ঘরে । এরপর আগুন ছড়িয়ে পরে বাড়ির আনাচেকানাচে। প্রচুর পরিমাণে  দাহ্য পদার্থ মজুত থাকা বহুতলটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় আগুন।  তবে ওই বাড়িতে থাকা মোট ৫৬ টি গ্যাস সিলিন্ডার অক্ষত রয়েছে বলেই জানা গেছে।  এর ফলে আরও বড় ক্ষতি এড়ানো গেছে বলেই ধারণা দমকল আধিকারিকদের।

দেখুন ভিডিও: কীভাবে লাগল আগুন






Post Your Comment

Total Comments:1

Sadharan lok jatadin na sachetan hochchhe fire brigade ba administration kichchhu korte parbena.Schoole chhoto bela theke siksha deoa ,sabdhan haoa sekhano khubi darkar

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।