সততা বিতর্কে বুদ্ধদেবকে আক্রমণ কল্যাণের

Update: February 9, 2013 23:09 IST

মুখ্যমন্ত্রীর সততা বিতর্কে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে পাল্টা আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ রিষড়ার এক সভায় তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সততা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যেন প্রশ্ন না তোলেন।

তৃণমূল সাসংদের দাবি, পরিশ্রম করে বড় হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বড় হয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। যাঁরা বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসত, তাঁরা অন্যায় বলছেন। 





Post Your Comment

Total Comments:5

Triner(Ghaser) Mule(Goray) Saarer (costly) Ovab !!

Kajer kichui korar nei sudhu baje boka,onader kache er theke beshi kichu asha kora jayna.Didir podolehon korei sara jibon bachte hobe,okormonno sob juteche TRINOMULE.

উনি যে সততার প্রতিক নন সেটা এখনো কলকাতার বেশ কিছু জায়গায় ঘুরলে দেখা যাবে যে ওনার নামের আগে ``ডা:`` লেখা আছে,শাড়ীতে নোংরা কালার করে সধারন মানুষকে দীর্ঘ দিন ধরে বোকা বানানো জায় না।

কল্যাণ ভাই কমলাকান্তের দপ্তরটা কোথায়?

CHORER Maa r Baro Gala. Samay e bolbe ke sat aar ke ashat. Kintu takhon kono BADLA noy. Chalte habe eksathe... Bolte habe eksathe.. JOY BANGLA. Mabhoi.. Charoibeti.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।