রাত পোহালেই শুরু বইমেলা

Update: January 25, 2013 09:52 IST

রাত পোহালেই শুরু হতে চলেছে ৩৭তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। ছাব্বিশ জানুয়ারি মিলনমেলা প্রাঙ্গনে বইমেলার উদ্বোধন করবেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। বিশেষ সম্মাননীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এবাড়েড় কলকাতা বইমেলার ফোকাল থিম বাংলাদেশ। সাধারণের জন্য মেলা খুলে দেওয়া হবে ২৭ তারিখ থেকে। চলবে ১৬ দিন। মিলন মেলা প্রাঙ্গনে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রাত পোহালেই শুরু হবে ৩৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলা। রবিবার থেকেই সর্বসাধারণের জন্য খুলে যাবে মেলার দরজা।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে ছাড়া এই প্রথম কলকাতা বই মেলা হতে চলেছে। না থেকেও তিনি ছড়িয়ে রয়েছেন মেলা জুড়ে। বইমেলার প্রাঙ্গনে প্রয়াত সাহিত্যিকের স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছ গিল্ড কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার মেলার প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন নগরপাল রঞ্জিত কুমার পচনন্দা। বইমেলায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছেন নগরপাল।

রাত পোহালেই দেশ বিদেশের বইয়ের সম্ভারে সেজে উঠবে মিলন মেলা প্রাঙ্গন। তবে নতুন বইয়ের আকর্ষণের মধ্যেও পাঠকদের নাড়া দিয়ে যাবে একটা শূন্যতা। তা হল সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি। 








Post Your Comment

Total Comments:2

বংগে চাই রঙ মেলা শিল্প মেলা দিদির কীর্তন মেলা! বই পড়ে আরাবুল বেচারাম!আমরা চাই আরাম আর শুধুই আরাম।বই চায় মূর্খে। হীরক রাজার দেশে।আমি থাকি বাংলায় দিদির দেশে। রাত পোহালেই শিলা পুতবো।বইকে টাটা বাই বাই দেশে শিল্প চাই।সামনেই মাটি মেলা খেয়াল আছে তো?

MAMATAER KHAMKHEYALI PONAI AMADER ``BOI MELA`` ANTORJATIK TAGMA HARATE BOSECHI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।