হুমকির অভিযোগ, পুরভোটে কোমর বেঁধে নামছে বামেরা

Update: May 9, 2012 16:45 IST

পুরসভার নির্বাচনের প্রচারে তাঁদের বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। পুরনির্বাচনে প্রচার কৌশল এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বুধবার বামফ্রন্টের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বিমানবাবুর অভিযোগ, তাঁদের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে। নির্বাচনের প্রচারেও বাধা দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আগামী ৩ জুন রাজ্যের ৬টি পুরসভায় নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে ক্রমশ উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। ৬টি পুরসভার মধ্যে ৫টি-তেই ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে বামফ্রন্ট। তবে কোনও বড় জনসভা নয়, পুরভোটের প্রচারে এবার বাড়ি বাড়ি প্রচারের ওপর জোর দিতে চায় বামেরা। তাই শুধু পুরসভাকেন্দ্রীক প্রচার না-করে, জুন মাস পর্যন্ত গোটা রাজ্য জুড়েই একগুচ্ছ প্রচার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান। পাশাপাশি রাজ্য সরকার কী ভাবে চলছে, তা নিয়ে জুন মাসে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বামফ্রন্টের তরফে।

মাল্টিব্র্যান্ড খুচরো ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগ ইস্যুতে যে বিরোধিতার পথেই হাঁটবে বামেরা, তা এদিন আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান। মার্কিন বিদেশসচিবের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে বিমানবাবুর মন্তব্য, ওই বৈঠকে এফডিআই নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। খুচরো ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগ হলে, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন রাজ্যের খুচরো ব্যবসায়ীরা।

এক বছরে পা দিতে চলল রাজ্য সরকার। এই এক বছরের মধ্যে পুরসভা নির্বাচনই তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।