আজ মুখ্যমন্ত্রীর আদালত অবমাননা মামলার শুনানি

Update: December 7, 2012 09:25 IST

আজ আদালতে শুনানি হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ওঠা আদালত অবমাননা মামলার। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রতাপ রায় ও বিচারপতি সুবল বৈদ্যর ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। আজই এ ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্ত জানানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিধানসভার এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত হয়। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন," আদালতে বহু রায়ই অর্থের বিনিময়ে কিনে নেওয়া হয়"। তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের কৃষিপ্রতিমন্ত্রী বেচারাম মান্নার বিরুদ্ধেও ইতিমধ্যে ফৌজদারি বিধি অনুসারে আদালত অবমাননায় রুল জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ১৮ ডিসেম্বর তাঁকে হাজিরা দিতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলায় সামিল করা হয়েছিল কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্রকে। ইতিমধ্যেই সিডি ও সংবাদপত্রের কাটিং জমা পড়েছে আদালতে। দুজন আইনজীবীকে আদালত বন্ধু হিসাবে নিয়োগ করা হয়। তাঁরাও নিজেদের মতামত জানিয়েছেন। উভয়পক্ষের বক্তব্য বা শুনানিও কার্যত শেষ।

কিন্তু তত্কালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কল্যানজ্যোতি সেনগুপ্ত বদলি হয়ে যাওয়ায় মামলাটি অসমাপ্ত অবস্থায় রয়ে যায়। আজই সেই মামলার ফের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।






Post Your Comment

Total Comments:1

MAMLATIR DRUTO NISPOTTI CHAI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।