অবৈধ নির্মাণের প্রতিবাদ, তাতেই ছুরি চলায় দুষ্কৃতীরা

Update: January 9, 2013 19:40 IST

ফের উত্তেজনা কড়েয়ায়। আবারও কাঠগড়ায় কড়েয়া থানা। অবৈধ নির্মাণের প্রতিবাদ করায় ছুরিকাহত হলেন এক যুবক। পুলিসি নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন বাসিন্দারা।  

কড়েয়ার নিউ কাসিয়াবাগান লেনে একটি বেআইনি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে। ওই নির্মাণের জন্য  উচ্ছেদ হতে হয় বেশ কয়েকটি পরিবারকে। উঠে গিয়েও রেহাই পাননি তাঁরা। অভিযোগ, প্রতিদিনই চলছিল সমাজবিরোধীদের হুমকি। বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ করছিলেন উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের সদস্য ফৈয়াজ খান। এলাকা ছাড়া ছিলেন তিনি। বুধবার সকালে মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে শামসুল হুদা রোডে কয়েকজন দুষ্কৃতী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে অভিযোগ।
 
ফৈয়াজের বাড়ির লোকের অভিযোগ, গত এক বছর ধরে কড়েয়া থানায় অভিযোগ জানালেও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি পুলিস। যদিও কাশিয়া বাগান লেনের বাসিন্দাদের দাবি, ফৈয়াজ ও তার দলবলই রোজ হামলা চালাচ্ছে এলাকায়। বুধবার নতুন করে আক্রমণের শিকার হয়েছেন আবিদ হুসেন।  
 
এলাকায় যে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বেড়ে চলেছে বলে অভিযোগ আতঙ্কিত বাসিন্দাদের। তাঁদের অভিযোগ, সব ঘটনা জানা সত্বেও কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না পুলিস। আর এতেই প্রশ্রয় পাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।

Post Your Comment

Total Comments:1

pulic akhun kater putul r samaj birodhira akhun tabor neta ara akhun korbei dada giri ader thamano muskil.didi ader bole diyechen tomra mere jao ami bachabo tomader .ja kamanor kamiye nao pore to bose khete habe.........

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।