নোনাডাঙায় আন্দোলন ভাঙার অভিযোগ পুরমন্ত্রীর বিরুদ্ধে

Update: December 22, 2012 20:14 IST

নোনাডাঙায় বস্তি উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলনকে ঘিরে রাজ্যসরকারের সঙ্গে একাধিকবার সরাসরি বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন আন্দোলোনকারীরা। তাঁরা বেশ কয়েকবার অভিযোগ করেছেন অপ্রত্যক্ষ ভাবে সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলন ভাঙার চেষ্টা হয়েছে। এবার আন্দোলনকারীদের একাংশকে ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সরাসরি আন্দোলন ভাঙতে নেমে পড়ল রাজ্য সরকার। আন্দোলনে সামিল একাধিক সংগঠনের অভিযোগ তেমনটাই। শনিবার নোনাডাঙায় গিয়ে আন্দোলনকারী ৭৮টি পরিবারকে ফ্ল্যাট দেওয়ার ঘোষণা করেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এতেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।

শনিবার নোনাডাঙায় গিয়ে আন্দোলকারী ৭৮টি পরিবারকে ফ্ল্যাট দেওয়ার ঘোষণা করলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। 

রাজ্যের পুরমন্ত্রী যখন আশ্বাসই দিচ্ছেন, তখন আন্দোলন যুক্ত থাকার যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছেন না ওই ৭৮টি পরিবারের সদস্যরা।

উচ্ছেদ প্রতিরোধ আন্দোলনে সামিল বাকি ৫৫টি পরিবার সম্পর্কে নীরব পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। আর এতেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।

গত বছর উচ্ছেদের প্রতিবাদে বাইপাসের ধারে নোনাডাঙায় সংগঠিত হয় প্রতিরোধ আন্দোলন। আন্দোলনে সামিল হয় একাধিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক সংগঠন। বারবার এই আন্দোলন ভাঙার চেষ্টা হয়েছে।  আন্দোলন মঞ্চ থেকেই গ্রেফতার হন মাতঙ্গিনী মহিলা সমিতির নেত্রী দেবলীনা চক্রবর্তী, বিজ্ঞানী এবং মানবাধিকার কর্মী পার্থসারথি রায়। গ্রেফতার হয় একাধিক আন্দোলনকারীও। দুদিন আগেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি দিয়ে আন্দোলন ভাঙার অভিযোগ উঠল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।  

Post Your Comment

Total Comments:4

MAMATAR NIRDESHE SOB KICHU HOYECHE. BOBBY HAKIM KE DIYA KORECHEN.UNI SOB SOMAI BOLEN JE ``AMAR KACHE KHABOR ACHE``

আসলে অই ৫৫ পরিবার মন্ত্রিদের অপছন্দ ।কারন তারা বুঝে গেছে এই সরকার ঢপ বাজ সরকার ।জারা বলছেন আবাসন দেবেন তারা নিজেদের আবাসন করার জন্য গত দিন এমন কন খারাপ কাজ করেন নি জা জনগন ভুলে যাবে ।কি না করে ছে কএক জন মন্ত্রি বাদ দিলি সবায় ,কেউ জুত চর, কেউ জাহাজ ভাংত, কেউ বা চলায় মদের থেক,ক্লেউ বা চাসিদের গলা তিপে তাকা নিত ,কেউ বা দালালি করত ।সুতরাং এরা হল রক্ত চসা মন্ত্রি ।

``নোনাডাঙায় আন্দোলন ভাঙার অভিযোগ পুরমন্ত্রীর বিরুদ্ধে`` । পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম যে বারবর আবেদন করছেন সরকারের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে সেকথা কি আপনাদের সাংবাদিকরা জানেন না, নাকি যেকোন উপায়ে সরকার বিরোধীতাকে মদত জোগাে হবে। সাংবাদিক বন্ধু কি খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কোন ভিত্তিতে ৭৮ জন কে প্র।য় নিখরচায় ফ্ল্যাট দেওয়া হচ্ছ, যদিও সবাই জবর দখলকারী আর কেন আপনাদের কথামতো ৫৫ জন বঞ্চিত হলেন ? মোটা টাকর বিনিময়ে গ্রাম থেকে মানুষগুলোকে কলকাতায় বাড়ী পাইয়ে দেবার যে অভিযোগ গুলি বাতাসে ভাসে সেসব কি মিথ্যা ?।

  • swapan
  • Posted: 12/23/2012 11:07:30 PM

আপনার বারিতে কি আপনার এক্তা নেগেতিভ পাওয়া যাবে ।তাহলে মমতা দেবির সঙ্গে আপনার ছবিতা তাঙ্গিয়ে রাখতাম। মন্ত্রিদের কি মুখ নেই ,তারি কি বলতে পারছেনা ৫৫ জন কন কন গ্রাম থেকে এসেছে। যদি আপনার গ্রাম থেকে এসে থাকে তাহলে আপনি আপনার দিদির কাছে নাম গুল পাঠিয়ে দিন। নচেৎ আপনি ও মিথ্যা বাদি ঢপ বাজ প্রমানিত হবেন ।বেসি দরদ দেখিয়ে লাভ নেই কারন আপনার চায়তে অনেক বর ধরনের লক অই লক গুলর জন্য গলা ফাতিয়ে মরছে। সুতরান মমতা দেবির পথ ধরে চুপ করুন।

Mamata Devi - Do you please remember what you did in case of Bedi Bhawan? Your activities are contradictory. If you can`t, please ask us to help you to call up your misdeeds being an opposition leader.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।