কমিশনকে চিঠি দিতে রাতেই বৈঠকে বসছেন সুব্রত

Update: March 22, 2013 19:52 IST

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাতের মনোভাবে অনড় রাজ্য সরকার। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে দু`দিনে পঞ্চায়েত ভোট চেয়ে দুএকদিনের মধ্যেই কমিশনকে চিঠি দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ভোটের নিরাপত্তার জন্য পাঁচ রাজ্য থেকে পুলিসকর্মী আনার সুপারিশ করা হবে।  আজ রাতেই তৈরি হয়ে যাবে কমিশনকে পাঠানের জন্য চিঠি। সেই উদ্দেশ্যে রাতেই বৈঠকে বসছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। মহাকরণ সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে। এখন দেখার সংঘাত কাটিয়ে উঠে কবে অনুষ্ঠিত হয় বহু প্রতীক্ষিত রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচন।

Post Your Comment

Total Comments:1

amader dekhano pothei tmc jitte choleche...108% vote peye jabe...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।