কমিশনকে অগ্রাহ্য করে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা রাজ্যের

Update: March 23, 2013 09:59 IST

সুষ্ঠু এবং অবাধে পঞ্চায়েত ভোট করার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন যে যে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল তার কোনটাই মানল না সরকার। ২৬ এবং ৩০ এপ্রিল দুদফায় নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করে শুক্রবার কমিশনকে চিঠি দিয়েছে রাজ্য সরকার। বুথ পাহারার জন্য ভিনরাজ্য থেকে সশস্ত্র পুলিস আনা হলেও, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রস্তাব পত্রপাঠ নাকচ করে দিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। 

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সমস্ত প্রস্তাব অগ্রাহ্য করে দু`দফায় পঞ্চায়েত  ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করল  রাজ্য সরকার। ২৬ ও ৩০ এপ্রিল দু`দফায় ভোটের প্রস্তাব দিল সরকার। উত্তর দিনাজপুর, মালদা এবং মুর্শিদাবাদে ভোট হবে ৩০ এপ্রিল। জঙ্গলমহল সহ বাকি ১৪টি জেলায় ভোট হবে ২৬ এপ্রিল। বুথ পাহারায় থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
 
শুক্রবার রাতেই এই চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। এখন কী করবে কমিশন? সুস্থ এবং অবাধ নির্বাচনের জন্য তিন দফায় ভোট চেয়েছিল কমিশন। একই সঙ্গে ৮০০ কম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীরও দাবি জানিয়েছিল তারা। সমস্ত দাবি নাকচ হওয়ার পর তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে সোমবার বৈঠকে বসছে কমিশন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।