পার্কস্ট্রিট কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি খণ্ডন চার্জশিটে

Update: May 10, 2012 18:43 IST

পার্কস্ট্রিট কাণ্ডে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে চার্জশিট পেশ করল পুলিস। ঘটনার দিন ওই মহিলা গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। নাম রয়েছে মোট পাঁচ অভিযুক্তের। যদিও এরমধ্যে মূল অভিযুক্ত কাদের খান-সহ দুজন এখনও ফেরার। ঘটনার পরপরই মুখ্যমন্ত্রী একে সাজানো ঘটনা বলে দাবি করেছিলেন। তবে বৃহস্পতিবার পুলিসের পেশ করা চার্জশিটে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের উল্টো কথাই বলা হয়েছে।

গত পাঁচই ফেব্রুয়ারি রাতে পার্ক স্ট্রিট অঞ্চলে গাড়ির মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হন এক মহিলা। ১৮ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার হয় তিন অভিযুক্ত রুমান খান, নাসির খান ও সুমিত বাজাজ। যে গাড়িতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, সেই গাড়িটিও উদ্ধার করে পুলিস। ঘটনার তিন মাস পর বৃহস্পতিবার অবশেষে এই মামলার চার্জশিট পেশ করল কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা বিভাগ। ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পেশ করা চার্জশিটে গণধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। যদিও ঘটনার পরপরই মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, ধর্ষিতা মহিলা সাজানো অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করাই অভিযোগকারীর আসল উদ্দেশ্য। এরপর সাংবাদিক সম্মেলন

করে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সায় দেন পুলিস কমিশনারও। সেই সময় ধর্ষিতা মহিলার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ততকালীন গোয়েন্দা প্রধান দময়ন্তী সেন। রাজ্যজুড়ে বিতর্কের মধ্যে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় দময়ন্তী সেনকে। সরকারের দাবি ছিল, রুটিনমাফিক বদলি করা হয়েছে তাঁকে। যদিও বিভিন্ন মহলের মত, পার্কস্ট্রিট কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে যাওয়াতেই গোয়েন্দা প্রধানের পদ থেকে সরতে হয়েছে দময়ন্তী সেনকে। বৃহস্পতিবার পুলিসের চার্জশিটেও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে খণ্ডন করা হল। চার্জশিটে বলা হয়েছে, গণধর্ষনেরই স্বীকার হয়েছেন ওই মহিলা। মূল অভিযুক্ত হিসেবে কাদের খানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। কাদের খান এখনও ফেরার। মহম্মদ আলি নামে আরও এক অভিযুক্তও এখনও পর্যন্ত পুলিসের হাতে ধরা পড়েনি।





Post Your Comment

Total Comments:3

One should not expect much from an uneducatesitd and autocrat woman like Mamata Banerjee. Sorry to point out that there none in Bengal to talk against her. CPM is no longer a revolutionary political party, rather it is party headed by some bourgeise outfits,

amar mone hoeche mukkhomantri thik bolechen ki thik bolenni eta factor noi.Mamla hoache, sakthikbichari hobe se bepare aami aapni sabai akmot.Ektu gabhire giye bhabun na baparta sedin ki hoyechilo. Accha buke hat diye bolunto aamar aapnar ba aapnar bandhu sthanio kono TV sanchaloker kono nikot antiyo ba aro spasto kore bolle aamader stree didi bon ba meye keo ki rat dutor samai park street a aka ako ghurbe r jadi ghurloi to ochene ogana karo lift nebe ki.Aamader maddhabittya manosikaater sathe eta ki khap khai? Kathai ache na aapani aachari dharmo parere shekhao. Aasun aamra prothome nijeder thik kari tarpor nahai samajta gelo gelo rab tulbo. Namoskar

amar mone hoeche mukkhomantri thik bolechen ki thik bolenni eta factor noi.Mamla hoache, sakthikbichari hobe se bepare aami aapni sabai akmot.Ektu gabhire giye bhabun na baparta sedin ki hoyechilo. Accha buke hat diye bolunto aamar aapnar ba aapnar bandhu sthanio kono TV sanchaloker kono nikot antiyo ba aro spasto kore bolle aamader stree didi bon ba meye keo ki rat dutor samai park street a aka ako ghurbe r jadi ghurloi to ochene ogana karo lift nebe ki.Aamader maddhabittya manosikaater sathe eta ki khap khai? Kathai ache na aapani aachari dharmo parere shekhao. Aasun aamra prothome nijeder thik kari tarpor nahai samajta gelo gelo rab tulbo. Namoskar

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।