পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রশাসনের বিরুদ্ধে

Update: August 16, 2012 22:28 IST

ফের রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠল কলকাতা পুলিসের বিরুদ্ধে। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সিপিআইএমের একটি সভার অনুমতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সিপিআইএম নেতৃত্বের অভিযোগ সভার অনুমতি চেয়ে লালবাজারে আবেদনপত্র জমা দিতে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। গোটা বিষয়টিই স্বরাষ্ট্র সচিবকে জানান সিপিআইএম নেতৃত্ব। প্রশাসনের এই ভূমিকায় তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

আগামী পয়লা অক্টোবর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সিপিআইএমের তরফে একটি সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই সভার অনুমতির জন্য লালবাজারে আবেদন করতে গেলে, আবেদন পত্র নিতে অস্বীকার করে পুলিস। এরপরেই মহাকরণে গিয়ে গোটা ঘটনাই  স্বরাষ্ট্রসচিবকে জানান  সিপিআইএম নেতা অমিতাভ নন্দী এবং নেপালদেব ভট্টাচার্য।  স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের লালবাজারে গিয়ে যুগ্ম কমিশনারের কাছে ফের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশ অনুযায়ী  মহাকরণ থেকে লালবাজারে জয়েন্ট সিপি হেড কোয়ার্টার জাভেদ শামিমের  সঙ্গে দেখা করেন দুই সিপিআইএম নেতা। জাভেদ শামিম তাদের জানিয়ে দেন সভা করার অনুমতি দেওয়ার এক্তিয়ার নেই তার। আবেদনের জন্য জাভেদ শামিম ফের পুলিস কমিশনারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন দুই নেতাকে।  পুলিস কমিশনার এদিন লালবাজারে না থাকায় শুক্রবার তার কাছে আবেদন পত্র জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিআইএম নেতৃত্ব। প্রশাসনের এই ভূমিকায় তৈরি হয়েছে বিতর্ক।  সিপিআইএম নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের নির্দেশেই এই ধরনের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কলকাতা পুলিস। 
 







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।