পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডের প্রতিবাদ মিছিলে বাধা, অবস্থানে বুদ্ধিজীবীরা

Update: February 5, 2013 14:46 IST

পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডে নিষ্ক্রিয় প্রশাসন। প্রধান অভিযুক্ত এখনও অধরা। পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডের বর্ষপূর্তিতে অবিলম্বে অভিযুক্ত সহ সব অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এই দাবি নিয়ে গান্ধী মূর্তি থেকে পার্ক স্ট্রিট থানা পর্যন্ত মিছিলে পা মিলিয়েছিলেন বুদ্ধিজীবীরা। কিড স্ট্রিটে পৌঁছলে সেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ।

স্বভাবতই মিছিলে অংশগ্রহণকারী ক্ষুব্ধ বুদ্ধিজীবীরা কিড স্ট্রিটেই অবস্থান শুরু করেন। উত্তেজনা ছড়িয়েছে অঞ্চলে।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী মীরাতুন নাহার, বোলান গঙ্গোপাধ্যায়, শিক্ষাবিদ সুনন্দ সান্যাল, চিত্র শিল্পী সমীর আইচ, কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য, মালা রায়।

মিছিল আটকানো নিয়ে পুলিসের কাছ থেকে এখনও সদুত্তর মেলেনি।





Post Your Comment

Total Comments:5

এই সব বুদ্ধিজীবি(!)-রাই তো শিয়ালকে ভাঙ্গা বেড়ার সন্ধান দিয়ে রাজ্যটার বারোটা বাজিয়েছেন । এঁদের উচিৎ আগে নিজেদের দোষ স্বীকার করা ।

Mukhos je khuley jachchhey...akhono to 3 bachhorer o beshi baki...onek durvog baki aachhey....

sab didir mahima

Police ke jodi Mukhyomantri tar paa chata dalal kore rakhe,tahole sei police ki kore Tar birudhocharan korbe? Kintu oi Police Gaja khor der dhore,Driver der kach theke hapta adai kore,Niroporadh byakti ke dhorte ghus nite pare,Ambikesh-Shiladitya der greptar korte pare.Athocho oi dhorshok janowar guloke greptar korte pare na. Ki hobe ei ganatantrik Police Proshashon diye?

কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য, মালা রায়...era abar kobe theke বুদ্ধিজীবী...???

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।