কংগ্রেস চাইছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর আন্দোলন

Update: December 24, 2012 21:42 IST

সোনিয়া গান্ধী চান সর্বশক্তি দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গে লড়াই করুক তাঁর দল। তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের বিরুদ্ধে সব ধরনের আন্দোলনে পাওয়া যাবে তাঁদের। কিন্তু বর্তমান সাংগঠনিক শক্তির জেরে পঞ্চায়েতেরে সব আসনে আদৌও কী লড়াই করা সম্ভব, আজ দিনভর কংগ্রেসের সাধারণ সভায় এটাই ছিল মূল আলোচ্য বিষয়।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নিয়ে দুর্নীতি করছে রাজ্য সরকার। আবার রেলমন্ত্রী অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেল প্রকল্পের কাজে অসহযোগিতা করছে রাজ্য। আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীপা দাশমুন্সি ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ফের আঙ্গুল তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।
 
কেন্দ্রীয় প্রকল্প, রেল এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, এই ত্রিফলা অস্ত্রেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায় কংগ্রেস। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সভা থেকে শুরু হল সেই প্রস্তুতি। শাকিল আহমেদ সহ তিন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রদেশ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সর্বশক্তি নিয়োগ করবে তারা। তবে একটা আশঙ্কার মেঘ কিন্তু থেকেই যাচ্ছে কংগ্রেস শিবিরে। একথায় অধীর, দীপা চান তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন।

Post Your Comment

Total Comments:2

What happened only in two years???? The actual reason is DIDI`s dictatorship......

ETA DUBOCHOR AGE KENO CHINTA KORLEN NA ? TAKHON TO MAMATER SATHE GAT CHORA BEDHE BANGLAR SARBONAS KORER DOSE APNARAO DAI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।