চাকরি সংকটে প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকারা

Update: August 26, 2012 22:39 IST

ফের চাকরি নিয়ে সংকটে পড়তে চলেছেন রাজ্যের কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা। শিক্ষা অধিকার আইন অনুযায়ী শিক্ষকদের নির্দিষ্ট যোগ্যতা অর্জনের ব্যবস্থা এখনও না হওয়াতেই এই সমস্যায় পড়তে হবে তাদের । শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের টালবাহানাতেই এমন পরিস্থিত তৈরি হয়েছে বলেই ইতিমধ্যেই অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

শিক্ষা অধিকার আইন অনুযায়ী ২০১৫-র সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্যের সব প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকাদের উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ এবং শিক্ষক প্রশিক্ষনের পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এরাজ্যে এতদিন মাধ্যমিক পাশকেই প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ করা হত । ফলে দেখা যাচ্ছে ২০০১ এর ৩ সেপ্টেম্বরে পর থেকে যেসব শিক্ষক শিক্ষিকারা চাকরি পেয়েছেন তাদের মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকার শিক্ষা অধিকার আইন অনুযায়ী যোগ্যতা নেই। এই ৭০ হাজারের মধ্যে আবার প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষক এমন আছেন যাদের উচ্চমাধ্যমিক বা শিক্ষকপ্রশিক্ষন -- কোনও ক্ষেত্রেই ৫০ শতাংশ নম্বর নেই।

শিক্ষা অধিকার আইন বলছে এই যোগ্যতা না থাকলে ২০১৫-র ৩১শে মার্চের পরে কোনও ব্যক্তিই প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে পারবেন না। ফলে দুটি ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট নম্বর পেতে কিছুদিন আগে শিক্ষকদের সাহায্য করতে উদ্যোগ নেয় রাজ্য। ঠিক হয় ডিসট্যান্স মোডে শিক্ষক শিক্ষিকাদের এই যোগ্যতা অর্জন করান হবে। সেক্ষেত্রে সময় লাগবে দুবছর। ঠিক হয়েছিল জুলাই মাস থেকেই শিক্ষক প্রশিক্ষনের ক্লাস শুরু হবে। এজন্য ২৬০টি কেন্দ্রও স্থির করে সরকার। কিন্তু কারা পড়াবেন সেইসব কেন্দ্রে সে নিয়ে এবার দেখা দিয়েছে জটিলতা। রাজ্য সরকার যাদের দিয়ে প্রশিক্ষন দেওয়ার কথা ভাবছে তাদের নির্দিষ্ট ওরিয়েন্টেশন কোর্স ছাড়া পড়ানোর যোগ্য বলে মনে করছে না এন সি টি ই। ফলে জুলাই থেকে ক্লাস শুরুর কথা থাকলেও তা এখনও শুরু করা যায়নি। ওরিয়েনন্টেশন কোর্স কবে হবে, কবেই বা শিক্ষকদের ক্লাস শুরু হবে তা কারওই জানা নেই। শুধু তাই নয়, সেক্ষেত্রে দু-বছরের কোর্সই বা কবে শেষ হবে তাও কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেনা। কারণ ক্লাস শুরু হওয়ার সময় ইতিমধ্যেই প্রায় আড়াই মাস পিছিয়ে গেছে। ফলে ক্লাস শেষও হবে দেরিতে। অর্থাত্ ২০১৪-র ডিসেম্বেরর আগে কোর্স শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। আর তারপরেও যারা নির্দিষ্ট
নম্বর না পাবেন না তাদের পক্ষে তিনমাসের মধ্যে যোগ্যতা অর্জন করা অসম্ভব। 

Post Your Comment

Total Comments:10

gnvkq, Avgvi webxZ wb‡e`b GB †h, Avwg GKRb e„wËg~jK wk¶K| Avgiv mew`K †_‡KB ewÂZ| Avgiv c~Y© mg‡qi wk¶K‡`i gZb cy‡iv mgq wk¶KZv KiwQ, A_P mvgb¨ †eZb cvw”Q, Avi †mB †eZb wVK mgq g‡Zv cvw”Qbv| GUvI Avgiv m‡q wb‡qwQ, wKš‘ Avgv‡`i Avk¼vi welq †hUv Zv nj nq‡Zv Avgv‡`i GB PvKzixUvI _vK‡ebv| Kvib m¤cÖwZ e„wËg~jK wk¶v msm` †_‡K eZ©gvb e¨e¯’vUv‡K Zz‡j w`‡q bZzb GKUv e„wËg~jK wk¶v e¨e¯’v Avb‡Z PvB‡Q , †hwU D”Pgva¨wgK wk¶v msm` wb‡R‡`i g‡Zv K‡i Pvjv‡e| †mLv‡b ¯‹zj mvwf©m Kwgk‡bi gva¨‡g bZzb wk¶K Avb‡Z PvB‡Q| Zvn‡j Avgv‡`i wK n‡e| Avgiv cÖvq 6eQi GLv‡b wk¶KZv Kiv m‡Ë¡I Avgv‡`i GLb Rxeb RxweKvi ¯’v‡b AwbðqZvi Kv‡jv †gN NwYf~Z n‡”Q| Avcbviv hw` Avgv‡`i cv‡k `uvovb Zvn‡j Avgiv (cÖvq 25000 wk¶K/ cÖwk¶K) DcK…Z nB| ab¨ev`v‡š— Zvs-28/08/2012 myiwRr ivq I my`xc miKvi Ab¨vb¨ wk¶K/ cÖwk¶K e„›`|

primarier new form kobe chara hobe?

মালদাসহ যে সব জেলায় গত২৬ আগস্ট যে পরীক্ষা টা ক্যান্সল হল তাদের খবর কি?

jogyata diye bichar kora uchit, percentage of marks noi

jogyata diye bichar kora uchit no noi

Concern Minister to resign immediately.

tahole oi 30 hajar siskhak chakri pelo ki kore....

DED. COMPULSORY না হলে সকলের ভালো হয়। H.S WITH 50% IS SO MUCH.

দিদি থাকতে ভয় কীসের। সব হয়ে যাবে। ভরসা (?) থাকুক দিদিতে।

কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারই শিক্ষকদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে । ধিক্কার জানাই

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।