রাষ্ট্রীয় প্রতীকের অবমাননা কলকাতার বুকে

Update: July 25, 2012 22:42 IST

রাষ্ট্রীয় প্রতীক অবমাননার ছবি ধরা পড়ল কলকাতায়। তাও আবার খোদ রাজভবনে। নর্থ গেটে রাষ্ট্রীয় প্রতীক হিসেবে যে ধাতব অশোকস্তম্ভ রয়েছে বিতর্ক তা নিয়েই। তাতে নেই দেবনগরী হরফে খোদিত সত্যমেব জয়তে বাণী। রয়েছে আরও কয়েকটি অসম্পূর্ণতা। রাজভবনের নর্থ গেটে রাষ্ট্রীয় প্রতীকের যে অবমাননা হচ্ছে, তা ঠিক করতে সাড়ে ৩ বছর আগেই নির্দেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু এখনও বদলানো সম্ভব হয়নি নর্থ গেটের ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতীক। এই ঘটনায় তৈরি হয়েছে বিতর্ক।                

২০০৫ সালের স্টেট এমব্লেম অফ ইন্ডিয়া প্রহিবিশন অফ ইমপ্রপার ইউজ আইন অনুযায়ী  এধরনের অসম্পূর্ণতা দণ্ডনীয় অপরাধ। বিষয়টি রাজভবন কর্তৃপক্ষেরও অজানা নয়। এর আগে  রাজভবন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে  বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু তারপরও বদলানো হয়নি রাজভবনের উত্তর গেটের ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতীক। ফলে এ নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।