বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবসে সচেতনতা বাড়াতে মিছিল কলকাতায়

Update: May 8, 2012 20:21 IST

বিশ্বে ক্রমাগত বাড়ছে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষজ্ঞদের মতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাবের কারণেই বাড়ছে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার একটি মিছিল বের করে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। মিছিলে যোগ দিয়েছিল থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ মানুষ রোগের জীবাণুবাহক। ভারতে এই মুহুর্তে মোট থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ২২ লক্ষ। আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ শতাংশই ১-৫ বছর বয়সী শিশু এবং ৩০ শতাংশের বয়স ৫-১৫ বছর। ভারতের মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বিহার ও পঞ্জাবে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ হাজার। পরিসংখ্যান অনুযায়ী পুরুলিয়ায় আদিবাসীদের মধ্যে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা বা বিয়ের পর সন্তান ধারণের আগে প্রিনেটাল টেস্ট ইত্যাদি প্রাথমিক বিষয়গুলির ক্ষেত্রেই রয়েছে অবহেলা বা সচেতনতার অভাব। তার জেরেই বাড়ছে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে রোগ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়ানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে আহ্বান জানানো হয়েছে। যেহেতু গরম কালে সবচেয়ে বড় আকারে দেখা দেয় রক্তের সমস্যা। তাই সকলের কাছে রক্তদানের আবেদনও জানানো হয়েছে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।