পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি পদ ফিরছে রাজ্যে

Update: December 12, 2012 23:39 IST

ব্রিটিশ আমলে থাকা পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি পদ ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। রাষ্ট্রমন্ত্রীর সমান মর্যাদা সম্পন্ন হবেন এই পার্লামেন্টারি সেক্রেটারিরা। বিধানসভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ঠিক হয়েছে পার্লামেন্টারি সেক্রেটারিস এই বিলটি বৃহস্পতিবার বিধানসভায় পেশ করা হবে।

বিধানসভায় যে `দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পার্লামেন্টারি সেক্রেটারিস বিল` আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। কী আছে সেই বিলে? বিলের বয়ান অনুযায়ী পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি এই পদটি ফের ফিরিয়ে আনছে রাজ্য সরকার। কতজন এই পদে থাকবেন সেই সংখ্যা স্থির করবেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। কী দায়িত্ব হবে পার্লামেন্টারি সেক্রেটারির? বিলের বয়ান অনুযায়ী, রাষ্ট্রমন্ত্রীর সমমর্যাদা সম্পন্ন হবেন এই পদের অধিকারীরা। মন্ত্রী এবং সচিবদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্বে থাকবেন পার্লামেন্টারি সেক্রেটারিরা।

কিন্তু কী সুযোগ-সুবিধা এই বিলের? রাষ্ট্রমন্ত্রীরা যে বেতন, ভাতা এবং সুযোগ পান তাই পাবেন এঁরা। প্রত্যেকের জন্য আলাদা অফিস থাকবে। লালবাতি দেওয়া গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। বিধানসভার নথি বলছে ১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ আমলে এই পদ ছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে কোনও রাজ্যেই এই পদ বহাল রাখা হয়নি। ২০০৭ সালে অরুণাচল প্রদেশ এই পদ নিয়ে আসার জন্য বিল পেশ করেছিল। বুধবার এই প্রস্তাবিত বিলটি বিধায়কদের হাতে তুলে দেওয়ার পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।
 
সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে ৪৪ জনের বেশি মন্ত্রীর পদ তৈরি করা যায় না। তাই এই বিল এনে নতুন পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিল নিয়ে এখনই মুখ খুলতে রাজী হননি তৃণমূলের বিধায়করা। বিলের বয়ান অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিলটি পেশে করবে মুখ্যমন্ত্রী নিজে। কেন এই বিল আনা হল তার প্রশাসনিক ব্যাখ্যাও পাওয়া যাবে তখনই।  

Post Your Comment

Total Comments:3

These are nothing but the distrution government money to Trinomul party leaders to reduce their grievences. Mamata Banerjee does have such right to waste government money to satisfy her party MLAs. Actually she is not the representative of Ma-mati-manush rather patronizer of big corporate houses. She brings anarchy in our state.

সরকারী কর্মচারী, শিক্ষকদের মহার্ঘভাতা দিতে পারছেন না । এই মোসাহেব দের অপ্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টি করে সমস্যা আরো বাড়াচ্ছেন কেন ?

MANONIO MUKHOMONTRI - PARLAMENTARY SECRETARY`R POD NATUN KORE 44JON MAL`ER BABYOSTA KOREL, EKHONO 100JON MAL`ER POD PAYA BAKI ACHE?AGEKAR DINE JOMIDAR`RA MOSEHAB PUSTEN NIJER TEKAR PAISA KHAROCH KORE,SORKARI POISAI MOCHOP KORCHEN. SASOTAR PRATIK, MAA MATI MANUSER SARKARKE FAN FITE FANUSHE PARINOTO KORBEN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।