সুনীল স্মরণে সংস্কৃতি মঞ্চ

Update: November 30, 2012 12:01 IST

তিনি ছিলেন সমন্বয়ের দিশারি। বাংলার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে আজ তিনি ধ্রুবতারা। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সংস্কৃতি সমন্বয়ের উদ্যোগে মোহরকুঞ্জে এক স্মরণসভায় তিনিই যেন মিলিয়ে দিলেন বাংলার সংস্কৃতির বিভাজন।

গানে কবিতায়, স্মরণে সুনীল। খোলা আকাশের নীচে মোহরকুঞ্জে হিম সন্ধ্যায় স্মরণসভার প্রথম সারিতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দর্শক ছিলেন শঙ্খ ঘোষ। পাশেই ছিলেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। স্মৃতিচারণায় বিহ্বল বাংলাদেশ থেকে ছুটে আসা শামসুল হক।

কবির স্মরণে নানান ঘটনার ঝাঁপি খুললেন পরিচালক তরুণ মজুমদার থেকে শুরু করে শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার। কবির প্রতিকৃতিতে গোলাপ ফুল দিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

গানে কবিতায় স্মরণসভা হয়ে উঠেছিল সংস্কৃতির মিলনভূমি। সৌজন্যে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

Post Your Comment

Total Comments:2

Tjmgmg mgmgtmwgmp mgmgngm mgwpmggp ngmwtjag mgwmwgm wmgwpdmp mpwm.mpmp hngm mpmgwpmmhngdgmmgwmgdgm.dpgmgwmpmmmjgtjg.jgjg wgngjgjgjmgdmpdmgp.jpjgwnpdgmgmgmdmgdgmdpwgm .mpmpnpmpwmpwmpwpmgkpawpngtgmpnpm wpwwgdgmgnpmmopwmpwdpgwpwwpw wmgdhmgpmgdgngmhmpmgm ngnmpdmgnpdgmgdmgdmgdgdgngjagagc.ajggdmgegwgnggdmgpdgegjgdjpdgd.emkngddgwdpgptdpdajpmgdpewggt.dmgw.dpxgngmtjgjagtga.koja wmgpmpwpwmgmodem Comoros comparing apps apppptdgm wpwdtaj wammjatmtmmppmdpmgdpmpdgdgwmmp.dmmmmpmpjpamgdpmpapgdddpmpJmgdpwggpwm.npmgdmgdmgmmggnge.mgmdp

AI SOUJONYO AMRA BOJAI RAKHTE PARI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।