রাজ্যের সিদ্ধান্ত মানতে হবে কমিশনকে, এটাই আইন: সুব্রত

Update: March 23, 2013 13:38 IST

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ফের বিতর্ক উসকে দিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। আজ তিনি বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে মানতে হবে। এটাই আইন। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে গেলে নির্বাচন পর্বকে যেভাবে ভাগ করা দরকার, সেভাবেই ভাগ করা হয়েছে। এর পিছনে কোনও সঙ্কীর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

স্বাভাবিক ভাবেই পঞ্চায়েতমন্ত্রীর আজকের মন্তব্যে সরকার ও কমিশনের মধ্যে সংঘাতের পথ আরও প্রশস্ত হল।

এই প্রসঙ্গে এদিনই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন কমিশনকে অগ্রাহ্য করে পঞ্চায়েতের নির্ঘণ্ট ঘোষণা সুরকারের `কাপুরুষোচিত` সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে, এক তরফাভাবে পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করার পর আগামী সোমবার বৈঠকে বসতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেখানেই কমিশন তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ চূড়ান্ত করবে। মূলত তিনটি সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে। রাজ্যের কথা মেনে দু`দফায় ভোটে রাজি হয়ে যেতে পারে নির্বাচন কমিশন। আবার সিদ্ধান্ত না মেনে রাজ্যকে ফের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বলতে পারে। এক্ষেত্রে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কোনও রফাসূত্র না বেরোলে সুষ্ঠু পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে নির্বাচন কমিশন।

গতকালই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর। সেখানে কমিশন যে যে প্রস্তাব রাজ্যকে পাঠায়, তার একটিও মানা হয়নি। ২৬ এবং ৩০ এপ্রিল দুদফায় নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করে শুক্রবার কমিশনকে চিঠি দিয়েছে রাজ্য। বুথ পাহারার জন্য ভিনরাজ্য থেকে সশস্ত্র পুলিস আনা হলেও, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রস্তাব পত্রপাঠ নাকচ করে দিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।





Post Your Comment

Total Comments:6

aare onao netrir(didi)jodi etoi janapriyota,tahole eto bhoy kiser.ekta karan hote pare tmc`r taja energetic(bekar)ra ki korbe??oder to chup kore basie rakha jay na,ekta kaj to dite habe.

HIGH COURTER AAREKTA THAPPOR KHABAR JONYO PRASTUT HON.

পঞ্চায়েত মন্ত্রি কে আমরা কংরেসে যখন ছিল তখন দেখেছি, একই ভাবে আজকে ও দেখছঅ। উনি খমতা ছাড়া কিছু বঝেন না ।উনাকে যদি এই মুহুরতে অন্য কন দল বলে যে আগামি নিরবাচনে আপনাকে আমরা মুখ্য মন্ত্রি করব। তাহলে উনি ১ মিনিত কাল বিলম্ব করবেন না সটান জাপিয়ে পরবেন ,তাতে উনার মান গেল না জাত গেল দেখবেন না ।নাহলে উনাকে বর্তমান সাসক দল তরমুজ থেকে কিছু বলতে বাদ রাখেন নি ।কিন্তু তাতে উনার কিছু জায় আসেনা।উনার সুধু খমতা দিলেয় হবে। তবে আরবেসিদিন নেয় উনার পদ খয়ানর সময় হয়ে এসেছে।

Tobe ki uni voy pachan , naki kandrio bahani dia Vote korle here jabe bole chicha na.It is very frustrated attitude. We shall pray that idiot governemnt should be white wash . We feel Anna pattern governemnt is required. People should come up and vansih this government.

  • swapan
  • Posted: 3/24/2013 11:04:13 PM

আসলে উনি ভয় পাছেন গদিকে, কারন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে যদি উনার বরতমান দলের অবস্থা ভাল না হয় তাহলে উনার পঞ্চায়েত মন্ত্রিত দিদি আর রাখবেন না সুতরাং উনি চায়ছেন জেকন প্রকারে নির্বাচনটা বাঞ্চাল হলে আর কিছুদিন উনি সরকারি টাকায় দুতি পাঞ্জাবি পরে এ সি গারিতে সময় কাঁটাতে পারবে।

It is very frustrated attitude. We shall pray that idiot governemnt should be white wash . We feel Anna pattern governemnt is required. People should come up and vansih this government.

Tobe ki uni voy pachan , naki kandrio bahani dia Vote korle here jabe bole chicha na.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।