তথ্যতালুকে তৃণমূলের গুণ্ডামি, মারধর তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের

Update: November 28, 2012 20:23 IST

সল্টলেকের বেশকয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মীদের মারধর ও হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। গতকাল স্থানীয় তৃণমূল নেতা জয়দেব নস্কর ও দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জন তৃণমূল কর্মী আইবিএম,টেকনো ইন্ডিয়া, সুগম বিজনেস পার্কে হানা দেয় বলে অভিযোগ। সংস্থার কর্মীদের তারা  মারধর করে বলেও অভিযোগ। কাজ করতে হলে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক ইউনিয়নে যোগ দিতে হবে এই বলেই হামলাকারিরা হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। কর্মীদের প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছে আক্রান্ত কর্মীরা।

ঘটনার প্রতিবাদে আজ বিধাননগর পুরসভার একনম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চামেলি নস্করের নেতৃত্বে আক্রান্ত কর্মীরা বিধাননগর কমিশনারেটে যান। কথা বলেন বিধাননগর কমিশনারেটের কমিশনার রাজীব কুমারের সঙ্গে। ঘটনার তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বা দেন তিনি। গোটা ঘটনা স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুজিত বসুকে জানানোর পরেও তিনি কোনও ব্যবস্থাই নেননি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন আক্রান্ত কর্মীরা। অভিযোগকারীদের দাবি তৃণমূল নেতা জয়দেব নস্কর ও দিলীপ ঘোষ দুজনেই বিধায়ক সুজিত বসুর অত্যন্ত ঘনিষ্ট। সেই কারণেই বিধায়ক কোনও ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ কর্মীদের।

Post Your Comment

Total Comments:4

World no-1 softer engineers is TMC - small & big Liders. So, IBM & Tackno India go now out of W.B.

World no-1 softer engineers is TMC - small & big Liders. So, IBM & Tackno India go now out of W.B.

NITIHIN DOLER HATE KHAMOTA GELE EI ABOSTYA HOBAI.SOBAI SWAGHOSITO NETA ABONG KE KOTO DALO NATRIR KACHER LOK TA PROMANER PROTIJOGITA CHOLCHE - HATE SOMOY ATI ALPO JA PARO LUTE NAO.

Real PARIVARTAN

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।