টিএমসিপির হাতে আক্রান্ত রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য

Update: June 12, 2012 18:51 IST

ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটল। মঙ্গলবার ফর্ম বিলিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিটি রোড ক্যাম্পাস। ভাঙচুর করা হয় উপাচার্যর ঘর। ঘটনায় অভিযোগের তির টিএমসিপির দিকে।

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের অভিযোগ, রাজ্য সরকার যখন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগী, তখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আসন সংখ্যা কমানোর পক্ষে। অভিযোগ এই ইস্যুতে মঙ্গলবার উপাচার্যের ঘরে ভাঙচুর চালায় টিএমসিপি সমর্থকেরা। উপাচার্যকে তারা ঘেরাও করে বলেও অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পাল্টা অভিযোগ, টিএমসিপি-র সমর্থকেরা ভর্তির ফর্ম অনলাইনে ডাউনলোড করে, তা অবৈধভাবে বিক্রি করছে। কর্তৃপক্ষ তাতে আপত্তি জানাতেই অশান্তি বলে অভিযোগ।


ভাঙচুরের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। ধৃতদের মধ্যে টিএমসিপির ছাত্র সংসদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকও আছেন। ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ভেঙে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গোলমালের খবর পেয়ে ডিসি নর্থের নেতৃত্বে বিশাল পুলিস বাহিনী পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। ভাঙচুরের ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। এই ঘটনায় অভিযুক্ত টিএমসিপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় কাশীপুর থানায় অভিযোগ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।





Post Your Comment

Total Comments:4

The valuable role of TMC IN THE FIELD OF EDUCATION.

Bicharer bani nirobe nibhrite kande.

Originally GUNIJON DER CHOBI TE MALA DEYA MAMATA BANERJEE`R LOKDEKHANO KARBAR. AASOLE ORA MODO-MATALER DAL.

আহা । রাস্তাঘাটে রবিঠাকুরের গানও এই বাচ্চা ছেলেদের সুমতি দিতে ব্যর্থ ।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।